দেবহাটায় লকডাউন বাস্তবায়নের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ: সংঘর্ষে আহত-২

0
233

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটায় লকডাউন বাস্তবায়নের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পারুলিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। মারপিটে উভয় পক্ষ থেকে আহত দুজন বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। এঘটনায় মিজানুর রহমান নামের একজন বাদি হয়ে দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পাশাপাশি অপর পক্ষ থেকেও থানায় পাল্টা অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের আব্দুস সবুরের পুত্র মিজানুর রহমানের দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি লকডাউন বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে ওয়ার্ড ভিত্তিক কমিটি করে দেয়া হয়েছে। দক্ষিন পারুলিয়ার ৭নং ওয়ার্ডে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বে থাকা আনারুল ইসলামের ছেলে হাফিজুল ইসলাম (৩২) বৃহষ্পতিবার রাতে একটি মিনি ট্রাক আটকে চালকের কাছ থেকে দুই হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে ট্রাকটি ছেড়ে দেয়।
এঘটনায় তার (মিজানুর) ভাই হাসানুর রহমান (২৭) প্রতিবাদ করলে হাফিজুল ও তার সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়। শুক্রবার পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাফিজুল, একই এলাকার মহাতাব উদ্দীনের ছেলে রাজু আহম্মেদ, মৃত ইকবাল সরকারের ছেলে মাহাবুব আলম খোকন, আনারুল ইসলাম (বুড়ো) ও লিটন নামের এক ব্যক্তি তার ভাই হাসানুরের ওপর হামলা ও তাকে পিটিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এবিষয়ে মিজানুর রহমান বাদি হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অপরপক্ষের আহত হাফিজুল ইসলাম জানান, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারুলিয়া হতে বদরতলা সড়কে স্বেচ্ছসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। এসময় ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় আব্দুর সবুরের ছেলে শাহিনুর, মিজানুর, হাসানুর, একই এলাকার পুটুর ছেলে রুবেল, মৃত ওমর আলীর ছেলে রায়হান, জেহের আলী ছেলে আরিজুর সহ কয়েকজন আমার উপর হামলা করে। এ ব্যাপারে আমার পরিবারের পক্ষ থেকে দেবহাটা থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহা জানান, মারপিটের ঘটনায় মিজানুর রহমান নামের একজনের একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।