৭ মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দই ছিলো বাঙালির মুক্তির নিদের্শনা : আ’লীগ

0
331
বটিয়াঘাটায় নৌকার ফলাফল বিপর্জয়ের কারণ জানাতে নোটিশ খুলনা জেলা আ’লীগের

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
খুলনা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দই ছিলো বাঙালির মুক্তির নিদের্শনা। বঙ্গবন্ধুর এই নির্দেশনায় বাংলার আবাল বৃদ্ধ বণিতা একটি সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো। বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনাকে সঠিকভাবে পালন করায় মাত্র নয় মাসে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আজ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ যখন জাতিসংঘে স্বীকৃতি লাভ করেছে তখন বিএনপি-জামায়াতের গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে। তারা নানা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করেছে। বাঙালি জাতি আজ মর্যাদার সাথে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়াতে পারেছে। বাংলাদেশের এই উন্নতি আর সমৃদ্ধি বিএনপি-জামায়াত চায না। সেকারনেই তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করতে হবে। তিনি দলমত নির্বিশেষে খুলনার মানুষের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নতির জন্য সকল ষড়যন্ত্রকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় এনে আগামী প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা উপহারা দিতে হবে।
সোমবার বিকাল ৪টায় দলীয় কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত আনন্দ মিছিল পূর্ব সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এমপি। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক শেখ হারুনুর রশিদ। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হাদি, কাজী এনায়েত হোসেন, এ এফ এম মাকসুদুর রহমান, এ্যাড. রজব আলী সরদার, হাফেজ মো. শামীম, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, লুৎফুন নেছা লুৎফা, রনজিত কুমার ঘোষ, শেখ মোশাররফ হোসেন, মো. মোতালেব হোসেন, এ্যাড. সেলিনা আক্তার পিয়া, নয়মী বিশ্বাস সাথী। সমাবেশ পরিচালনা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মোল্লা জালাল উদ্দিন, খুলনা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কাজি আমিনুল হক, এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, শেখ হায়দার আলী, বিএমএ সালাম, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, এমডিএ বাবুল রানা, এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, কামরুজ্জামান জামাল, এ্যাড. নবকুমার চক্রবর্তী, শ্যামল সিংহ রায়, মকবুল হোসেন মিন্টু, জামালউদ্দিন বাচ্চু, এ্যাড. নিমাই চন্দ্র রায়, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, জেডএ মাহমুদ ডন, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, অধ্যাপক দেলোয়ারা বেগম, অধ্যাপক আলমগীর কবীর, কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, অধ্যাপক মিজানুর রহমান, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, মোকলেসুর রহমান বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, মফিদুল ইসলাম টুটুল, এ্যাড. শাহ আলম, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, খান নজরুল ইসলাম, শেখ আবিদ হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হোসেন, তসলিম আহমেদ আশা, এস এম আনিসুর রহমান, মোল্লা আকরাম হোসেন, মালিক সরোয়ার উদ্দিন, আলী আজগর মিন্টু, মাহাবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, হাসান ইফতেখার চালু, জয়ন্তী রাণী সরদার, শোভা রাণী হালদার, শফিকুর রিয়াজ জানু, মাষ্টার ফরহাদ হোসেন, হাজী মো. নুরুজ্জামান, আলমগীর সরদার, মানিকুজ্জামান অশোক, খান কবীর হোসেন, টিএম আরিফ, মনিরুজ্জামান সাগর, এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, মো. ইমরান হোসেন, মো. রাজ্জাক হোসেন, মোক্তার হোসেন, মো. রুহুল আমিন, আইয়ুব আলী, এম পল্টু, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, শফিকুর রহমান পলাশ, মোর্শেদ আহমেদ রিপন, কামরুল ইসলাম, আব্দুস সালাম ঢালী, কবীর পাঠান, হুমায়ুন কবীর, শাকিল আহমেদ, জামিরুল হুদা জহর, শেখ আবিদ উল্লাহ, আব্দুস সাত্তার খলিফা, মোঃ নুর ইসলাম, চৌধুরী মিনহাজ উজ্জামান সজল, শেখ ফজলুল হক, মঈনুল ইসলাম নাসির, ফেরদৌস হোসেন লাবু, জাহিদুল হক, নাজমুল আহমেদ স্বপন, চ. ম. মুজিবর রহমান, আব্দুল হাই পলাশ, মুন্সি আইয়ুব আলী, গাজী মোশাররফ হোসেন, শেখ আব্দুল আজিজ, শেখ ফারুক হোসেন, মোঃ সেলিম আহমেদ, আব্দুস সাত্তার লিটন, শেখ খসরুল আলম, এস এম মুজিবুর রহমান, মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মোস্তাফিজুর রহমান ফিরু, মোর্শেদ আহমেদ মনি, কাজী এনায়েত আলী আলো, শেখ হাফিজুর রহমান, মাকসুদ আলম খাজা, সৈয়দ হাসিবুর রশীদ, আব্দুর রউফ মোড়ল, মফিজুর রহমান হিরু, এস এম আব্দুল হক, মো. জাহাঙ্গীর আলম মোড়ল, মো. সাকিল আহমেদ, মো. ইউসুফ আলী খলিফা, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ হাফিজুর রহমান, সরদার আব্দুল হামিদ, মো. আবু জাফর, গোপাল চন্দ্র সাহা, খোন্দকার বাহাউদ্দিন, গোলাম কিবরিয়া রতন, ইউসুফ আলী খান, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, মোঃ জাকির হোসেন, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মোঃ মোতালেব মিয়া, আলহাজ্ব এশারুল হক, মীর মোঃ লিটন, মহাসিনুর রহমান আফরোজ, সরদার আব্দুল হালিম, শেখ মোঃ রুহুল আমিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মোঃ শিহাব উদ্দিন, সাহেবুর রহমান পিটু মোল্লা, এ এস এম কামরুজ্জামান বাবলু, মোল্লা হায়দার আলী, কাজী সাফায়াত হোসেন প্যারেট, মোঃ জাকির হোসেন, আসলাম খান মুরাদ, জিয়াউল আলম খান খোকন, মোঃ শাহজাহান জমাদ্দার, আব্দুর জব্বার, মাকসুদ হাসান পিকু, শেখ আবু জাফর, হারুন অর রশিদ, ওয়াজেদ আলী মজনু, মো. সোহেল সরদার, জাহিদ হাসান জাকির, মোড়ল হাবিবুর রহমান, খ. ম. লিয়াকত আলী, শেখ আব্দুল হক, সৈয়দ কিসমত আলীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ শেষে এক বিশাল মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।