হিরণ জীবন বাজি রেখে পাকবাহিনী হটাও আন্দোলন করেছে : শেখ হারুন

0
688

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ বলেছেন, মাহাবুব উল আলম হিরণ ছিলেন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এক অকুতভয় মুজিব সৈনিক। তিনি ষাটের দশকে বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তিকামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে রাতদিন কাজ করেছেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকে কারাগার থেকে মুক্ত করার গণঅভ্যূত্থান যখন তুঙ্গে তখন ঢাকায় মতিউর রহমান এই আন্দোলনে পাকহানাদার বাহিনীর গুলিতে নিহত হন। একই ধারায় খুলনায় আন্দোলন চলছিলো। এই সময়ে হুমায়ূন কবির বালু, মাহাবুব উল আলম হিরণ, শেখ শহীদুল হকসহ অসংখ্য ছাত্রনেতারা খুলনায় আন্দোলন করেছে। মতিউর রহমান আসাদ জীবন দিয়েছে আর হিরণ জীবন বাজি রেখে পাকবাহিনী হটাও আন্দোলন করেছে। মতিউর রহমান, আসাদ ও হিরণের মত ছাত্রনেতাদের ত্যাগের কারনে বাংলাদেশ মাত্র নয় মাসে স্বাধীন হয়েছিলো। আজ হিরণ আমাদের মাঝে নেই তবে তার ত্যাগ আর আদর্শ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় কিভাবে মুজিব আদর্শ ধারণ করতে হয় এবং মনে করিয়ে দেয় মুজিব আদর্শকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধ ভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা। সেকারনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ত্যাগ স্বীকার করে দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুনরায় সরকার গঠণ করার কাজে নিজেদের আত্মনিয়োগ করতে হবে।


বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে গণঅভ্যুত্থান দিবস ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সাবেক ছাত্রনেতা মাহাবুব উল আলম হিরণের ১৭তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার-এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এমডিএ বাবুল রানা, নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, মকবুল হোসেন মিন্টু, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, তসলিম আহমেদ আশা, শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল। সভা পরিচালনা করেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা কামরুজ্জামাল জামাল, শ্যামল সিংহ রায়, অধ্যা. আলমগীর কবীর, হালিমা ইসলাম, কামরুল ইসলাম বাবলু, হাফেজ মো. শামীম, মো. ইমরান হোসেন, চ.ম মুজিবর রহমান, গাজী মোশাররফ হোসেন মো. শিহাব উদ্দিন, গোপাল চন্দ্র সাহা, মীর মো. লিটন, এ্যাড. তারিক মাহমুদ তারা, মাহমুদ হাসান তাজু, রফিকুল ইসলাম পিটু, এস এম শামসুদ্দিন আহমেদ শ্যাম, সরদার জাকির হোসেন, খান সাইফুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, কবীর পাঠান, প্রকৌ. আল মামুন চৌধুরী, জিএম রেজাউল ইসলাম, মোক্তার হোসেন, আলী আকবর, তোতা মিয়া, এজাজ আহমেদ পারভেজ, মাহমুদুর রহমান রাজেশ, রনবীর বাড়ৈই সজল, আহনাফ অর্পন, জোয়েব সিদ্দিকী, মেহেদী হাসান মান্না, মেহেদী হাসান সুজন, চয়ন বালা, মাসুদ আহমেদ সজল, আবিদ আল হাসান, রাব্বি আহমেদ রানা, ইয়াসিন আরাফাত, হায়দার আলী মোল্লাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
স্মরণ সভা শেষে মাহাবুব উল আলম হিরণসহ গণঅভ‚্যত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সদর থানা আওয়ামী লীগ:
এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা করেছে সদর থানা আওয়ামী লীগ। বুধবার রাত ৮টায় দলীয় কার্যালয়ে সদর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিন বাচ্চু, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, গাজী মোশাররফ হোসেন, গোপাল চন্দ্র সাহা, মো. শিহাব উদ্দিন, এস এম শামসুদ্দিন আহমেদ শ্যাম, একেএম শাজাহান কচি, সমীর কৃষ্ণ হীরা, মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম, এ্যাড. কেএম ইকবাল, জিএম রেজাউল ইসলাম, প্রকৌশলী আল মামুন চৌধুরী, মো. রিয়াজহোসেন, শেখ হারুন মানু, আব্দুর রাজ্জাক, ইমান আলী, রফিকুল ইসলাম পিটু, মাহামুদুর রহমান রাজেশ, মনিরুল ইসলাম সোহাগ, মোস্তাফিজুর রহমান সুইটসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি#