সৌদি তেল স্থাপনা ছাড়ুন: বিদেশিদের হুঁশিয়ারি হুথি বিদ্রোহীদের

0
356

খুলনাটাইমস বিদেশ :সব বিদেশিকে সৌদি তেল স্থাপনা ছেড়ে যেতে সতর্ক করে দিয়েছে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত শিয়াপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকো এখনও হুথি টার্গেটে রয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে সেখানে আবারও হামলা হতে পারে।গত সোমবার টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে হুথি বিদ্রোহীদের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারিয়ি বলেন, ইয়েমেনের ওপর সৌদি আরবের সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করা এবং অবরোধ তুলে নেওয়া উচিত। অন্যথায় সৌদি আরবের যে কোনও যায়গায় যে কোনও সময় হামলা চালানো হবে।এদিকে সৌদি আরবে ড্রোন হামলার পর গত ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে তেলের দাম। ইয়েমেনে হুথিবিরোধী লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট বলছে, এই হামলায় ইরানি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে, হুথি বিদ্রোহীরা এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে সোমবার সৌদি জোট বলেছে, প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা ইয়েমেন থেকে চালানো হয়নি।শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকো-র দুইটি বৃহৎ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়। ওই হামলার পর সৌদি আরবের তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেন। যুক্তরাষ্ট্রের তরফে স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে হামলার নেপথ্যে ইরানের জড়িত রয়েছে দাবি করে। হামলার পর ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিরা দায় স্বীকার করলেও যুক্তরাষ্ট্র এই হামলার পেছনে ইরান জড়িত বলে দাবি করে আসছে। যদিও ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথিদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সাল থেকে লড়াই করে আসছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট। সোমবার রিয়াদে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল মালিকি জানান, কোথা থেকে এই হামলা চালানো হয়েছে তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ইরানি আর আমরা এখন হামলা চালানোর স্থান নির্ধারণে কাজ করছি…এই সন্ত্রাসী হামলা হুথি যোদ্ধাদের দাবি অনুযায়ী ইয়েমেন থেকে চালানো হয়নি।’ সূত্র: পার্স টুডে, রয়টার্স।