সৃজনশীল সাংবাদিকতার বিকাশ ঘটাক খুলনা টাইমস

0
43

কাজী মোতাহার রহমান:
নিছক বেকারত্ব মোচনের জন্য দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ থেকে সনদধারী সুমন আহমেদ সাংবাদিকতায় আসেননি। অনেক পেশার ভীড়ে অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়েও এ পেশাকে আকড়ে ধরে আছেন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে। মহান পেশাটির সাথে তার আবেগ ভালবাসা ও দেশপ্রেম জড়িয়ে আছে। সাংবাদিকতার পেশার সম্পৃক্ত থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করা সহজ হয়। গণমানুষের সাথে সম্পৃক্ততা সৃষ্টি হয়। অনেক ঝঁকিপূর্ণ হলেও চ্যালেঞ্জ হিসেবে তার মতো অনেক তরুণরাই সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। পেশাগত জীবনে ধারাবাহিকতার মধ্যে দিয়ে সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এটা আমাদের জন্য সত্যিই গর্বের। তারুন্যের উচ্ছাস নিয়ে তার সম্পাদনায় তিন বছর ধরে প্রকাশিত হচ্ছে খুলনা টাইমস নামক দৈনিকটি। স্বল্প পরিসরে হলেও তিন বছরে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়েছে। কাঙ্খিত আয়ের স্তরে এখনো পৌছাতে পারেনি। বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য সরকারের বেধে দেওয়া নিয়ম নীতি অতিক্রম করে সে পর্যায়ে এখনো পৌছাতে পারেনি। আশা করছি সেই মহেন্দ্রক্ষন মুহুর্তটি খুব শীঘ্রই খুলনা টাইমসের সামনে আসবে। আমার কামনা সেটাই। কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারলে এ দৈনিকটির কলেবর আরও বৃদ্ধি পাবে। সৃজনশীল পত্রিকা হিসেবে পাঠকের কাছে প্রিয় হবে। অনুজ প্রতিম সম্পাদক সেই লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে। তার উদ্দেশ্য সফল হবে। কারণ গত তিন বছরে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে সৃজনশীল সংবাদ উপহার দিয়েছেন। সত্যকে কোন মতেই মাটি চাপা দেননি। অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের সব সময়ই জয় হয়েছে। সত্যের জন্য জয়ী সৈনিকদের সত্যিকারে উত্তরসূরী আজকের খুলনা টাইমস। দৈনিকটির শুভ জন্মদিন ডিসেম্বরেই। এর সাথে বাঙালি জাতির স্বাধীনতার সংগ্রাম জড়িয়ে আছে। এ মাসেই এ দেশের মাটিতেই ওড়ে বিজয়ের পতাকা। বিজয়ের মাসে খুলনা টাইমসের জন্ম আসলেই সবার জন্য গর্বের। এ গর্ব ধরে রাখতে এবং সাংবাদিকতার মূলনীতি সমুন্নত রেখে খুলনা টাইমস আগমী দিনগুলোতে এগিয়ে যাবে বলে আমার বিশ^াস। নানা অভাবের মধ্যে অন্ধকারের আমানিশায় ডুবে যায়নি। খুলনা টাইমসের সামনে নতুন সূর্যের মূখ সামনেই। আগামী দিনগুলো পথচলা মসৃন হোক। গণতন্ত্রের পক্ষে, মানবাধিকারের পক্ষে তাদের লেখনি আরও স্বোচ্চার হোক। মানুষের কল্যাণে আগামী দিনগুলোতে তাদের শ্রম ও মেধা ব্যয় হোক। সকল বাধা উপেক্ষা করে খুলনা টাইমস জনপ্রিয় হয়ে উঠুক এটাই জন্মদিনের কামনা।