সুন্দরবনসহ পরিবেশ রক্ষায় খুলনায় নাগরিক কমিটির আত্মপ্রকাশ

0
431

খবর বিজ্ঞপ্তিঃ (২৩ অক্টোবর) মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-নাগরিক নেতাদের সমন্বয়ে সুন্দরবনসহ পরিবেশ রক্ষা বিষয়ক এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সভায় সুন্দরবন ধ্বংসকারী বিভিন্ন সংস্থাকে তাঁদের কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখতে চাপ প্রয়োগকারী গোষ্ঠী হিসেবে (প্রেসার গ্রুপ) একটি নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় সুন্দরবন রক্ষা একটি নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়। নাগরিক নেতা কুদরত ই খুদাকে প্রধান করে গঠিত এ নাগরিক কমিটির নাম দেয়া হয়েছে, “সামাজিক ও পরিবেশ সুরক্ষা গণ কমিশন,খুলনা”।
সভায় বলা হয়,বাংলাদেশ এখন প্রশাসনিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সচিবরা দেশ ও রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে। নিজেদের অনিয়ম ধামাচাপা দিতে ডিজিটাল আইন চালু করা হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন খুলনা জেলা কমিটির সম্পাদক কুদরত ই খুদা। অতিথি ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. নাজমুস সাদাৎ, অধ্যাপক কাজী সাইফুল আলম, অ্যাকশান এইডের উপ প্রকল্প ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদ।সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইনিশিয়েটিভ ফর রাইট ভিউয়ের (আইআরভি) সমন্বয়কারী কাজী জাভেদ খালিদ পাশা, কোস্টাল লাইভলিহুড অ্যান্ড এনভাইরনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (ক্লীন) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মেহেদী, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল, উন্নয়ন কর্মী নূর আলম, ,নারী নেত্রী সুতপা বেদজ্ঞ, মেরিনা জুথি, এড. তসলিমা খাতুন, খলিলুর রহমান সুমন, এড.পপি ব্যানার্জী, আফজাল হোসেন রাজু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, তারা সরকারের উন্নয়নে বাধা নয়, তারা চায় পরিবেশ সুরক্ষা করে সরকার উন্নয়ন করুক। একই সাথে প্রকল্প গ্রহণের আগে ইআইএ’র রিপোর্ট নয়, সিআইএ’র রিপোর্ট গ্রহণের জোর দাবি জানান। অপরিকল্পিতভাবে গ্রহনকৃত প্রকল্পের কারণে হাজার হাজার মানুষ উচ্ছেদ হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী তাদের পূর্নবাসনও করা হচ্ছে না। সভায় বক্তারা বলেন, ২০১৭ সালে পাশ হওয়া ভূমি অধিগ্রহন আইনও সংস্কার প্রয়োজন। এ আইনটি উচ্ছেদ হওয়ায় মানুষগুলোর স্বার্থ সুরক্ষা করছে না।