সুদের বোঝা সইতে না পেরে স্কুল শিক্ষক নীল কোমলের আত্মহত্যা

0
251

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:
পাইকগাছায় স্কুল শিক্ষক তারকের পর এবার সুদের বোঝা টানতে না পেরে স্কুল শিক্ষক নীলকোমল ঢালী গঁলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন। সে লস্কর ইউপির পূর্বখড়িয়ার আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং স্থানীয় মৃতঃ ললিত মোহন ঢালীর একমাত্র ছেলে। এ ঘটনায় থানা পুলিশেরর এসআই নাজমুল হুদা, ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন,বিভুতী ভুষন সানা, স্নেহেন্দু বিকাশ, ইউপি সদস্য অরবিন্দ মন্ডল সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
পারিবারিক সূত্র জানায় সোমবার রাত ১১টার দিকে পার্শবর্তী একটি বাড়ীর জ্ঞাতীভোজ অনুষ্ঠানের প্রস্ততি দেখে শিক্ষক নীল কোমল বাড়ীতে আসে। এর পর বাড়ীর ভিতর ঘের সংলগ্ন বেঞ্চে বসে সময় কাটিয়ে কোন এক সময় সে বেঞ্চ ঘেষা শিরিশ গাছে লাইলনের রশি দিয়ে ঝুলে পড়ে। মঙ্গলবার ভোর বেলায় নীলকোমলেরর মৃতদেহ ঝুলন্ত দেখে স্থানীয়রা থানা পুলিশ ও চেয়ারম্যান মেম্বরদের খবর দেয়। এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন এনজিও সহ গড়ইখালীর শাহাদৎ গাইন, ব্যবসায়ী মিন্টু,রশীদ ঢালী, নুরইসলাম, অরবিন্দু, পটল, দিবস হালদার ও এলাকার বহু সুদে ব্যবসায়ীদের দেনার ভার ও গালিগালাজ ও সর্বশেষ উকিল নোটিশ সহ্য না করতে পেরে নীল কোমল আত্মহত্যা পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। সুত্র জানায়,এলাকায় ভদ্রবেশি মানুষ অবৈধ সুদের ব্যবসা করে জায়গা-জমি লিখে নিচ্ছে এবং এরা এলাকা ধব্বংস করে ফেলছে।এ ঘটনায় সুদে মহাজনদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে অধিকাংশ নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। তবে কাপড় ব্যবসায়ী মিন্টু জানান, ২০১৮ সালে শিক্ষক নীলকোমল আমার কাছ থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল। যা ইতোমধ্যে পরিশোধ হয়েছে। এদিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরত হাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।