সালমান খানের পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ১০ হাজার রুপি জরিমানা

0
388
Indian Bollywood actor Salman Khan arrives at a court to hear the verdict in the long-running wildlife poaching case against him in Jodhpur on April 5, 2018. Salman Khan was found guilty April 5 of killing endangered Indian wildlife nearly two decades ago, a prosecutor said, a charge that could see the Bollywood superstar jailed for six years. / AFP PHOTO / -

টাইমস রিপোর্ট:

দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। আদালতের রায়ে তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়েছে। তবে মামলার অন্য আসামি সাইফ আলি খান, নীলম, টাবু, সোনালি বান্দ্রে বেকসুর খালাস পেয়েছেন। আজ ৫ই এপ্রিল, বৃহস্পতিবার প্রায় ২০ বছরের পুরনো এই মামলার রায় দেয় যোধপুর আদালত। ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনের ৫১তম ধারা মোতাবেক সালমানকে দণ্ড প্রদান করা হয়।
আদালতে সালমান উপস্থিত হয়েছিলেন তার ‘সৌভাগ্যবান’ কালো শার্ট পরে। তবে রায় তার পক্ষে যায়নি। আদালতে রায় দেওয়ার পর সালমান খানের দুই বোন আলভিরা ও অর্পিতা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

সালমান খানকে এখন যোধপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যেতে হবে। ২০০৬ সালে এই কারাগারেই তাকে পাঁচটি রাত কাটাতে হয়েছিল।
সালমানকে রাখা হবে ২ নম্বর ব্যারাকে, যেখানে আধ্যাত্মিক নেতা আশারাম বাপুও রয়েছেন। ২০১৩ সালে আশ্রমে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত আশারাম বাপু পাঁচ বছর থেকে জেল খাটছেন।
১৯৯৮ সালের অক্টোবরে সালমান, সাইফ, নীলম, টাবু ও সোনালির বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলায় বলা হয়, ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিংয়ের জন্য তারা যোধপুরে গিয়েছিলেন। সেখানে শুটিং চলাকালীন ১ ও ২ অক্টোবর রাতে যোধপুরের কাঙ্কিনি গ্রামে দুটি বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করেন তারা।
মামলার চূড়ান্ত পর্বের শুনানি শুরু হয়েছিল গত বছরের ১৩ অক্টোবর। ২৪ মার্চ দুই পক্ষের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব শেষ হয়। এরপর ২৮ মার্চ যোধপুরের দেব কুমার খাতরির আদালত ৫ এপ্রিল রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়। এর আগে ২০০৬ সালে দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার দায়ে তাকে যোধপুরের আদালত পাঁচ বছরের কারাদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছিল।
পরবর্তী সময়ে বেশ কিছুদিন জেল খাটতে হয় সালমানকে। এরপর জামিনে মুক্ত হলে ২০১৭ সালে নির্দোষ প্রমাণিত হন তিনি। তবে এই রায়ের ওপর আবার আপিল করা হয়। যার চূড়ান্ত রায় বের হলো ৫ এপ্রিল।
মামলার অন্য দুজন আসামি হলেন ট্রাভেল এজেন্ট দুশমন্ত সিং ও সালমানের সহকারী দীনেশ গাওর। তারা দুজনই পলাতক।

খবর এনডিটিভি ও দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।