সাকিবদের জন্য তিন সংস্করণে তিন হেড কোচ!

0
224

স্পোর্টস ডেস্কঃ

বেক্সিমকোতে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে কারস্টেন। ছবি: বিসিবিবেক্সিমকোতে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে কারস্টেন। ছবি: বিসিবি
দুদিনের বাংলাদেশ সফরে গ্যারি কারস্টেন বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ দলের সিনিয়র খেলোয়াড়, স্থানীয় কোচ ও বিসিবির শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে। সফর শেষে আজ ফিরে গেছেন ভারতের হয়ে এই বিশ্বকাপ জয়ী কোচ। তা বাংলাদেশ দলের কোচ নিয়োগে কী সিদ্ধান্ত দিয়ে গেলেন কারস্টেন? বিসিবি সভাপতি যা বললেন, তাতে মনে হবে কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়াটা আরও জটিল হয়ে গেছে।

সকাল-বিকেল দুই দিনে দফায় দফায় সভা করেছেন। সিনিয়র খেলোয়াড়, স্থানীয় কোচ, বিসিবির শীর্ষ কর্তা কিংবা বিসিবি সভাপতি—সবার সঙ্গে আলোচনা শেষে আজ সন্ধ্যায় ফিরে গেছেন গ্যারি কারস্টেন। ‘হেড অব কোচ অ্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট সিলেকশন’ তাহলে বিসিবিকে কী সিদ্ধান্ত দিয়ে গেলেন? কারস্টেনের সঙ্গে আলোচনা শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান সংবাদমাধ্যমকে নতুন তথ্য জানালেন। বিসিবি এখন লাল-সাদা বলের কোচ খুঁজছে। আরও পরিষ্কারভাবে করলে, তিন সংস্করণের জন্য আলাদা আলাদা কোচ খুঁজছে বিসিবি।

তিন সংস্করণে তিন অধিনায়ক বাংলাদেশ ক্রিকেট দেখেছে। এবার তাহলে তিন সংস্করণে তিন কোচ দেখা যাবে? কারস্টেনের সঙ্গে আলোচনা শেষ বিসিবি সভাপতি নাজমুল তো এ ধারণাই দিলেন, ‘আমরা যাদের সঙ্গে কথা বলেছি, বেশির ভাগই টেস্টে কোচ হতে রাজি নয়। তবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দীর্ঘ সময়ে কোচ হিসেবে কাজ করতে রাজি। আমরা তিন সংস্করণের জন্যই দীর্ঘ সময়ে থাকবে, এমন কোচ চাচ্ছিলাম। আজকাল যেটা হয়েছে, টি-টোয়েন্টি আসার পর মানসিকতায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। কারস্টেন তাই মনে করেন, সাদা ও লাল বলের কোচ আলাদা হলে ভালো হয়। আমরা আলাপ করেছি, আমরা আলাদা কোচ না নিয়ে প্রধান কোচের অধীনে বিশেষজ্ঞ তিনজন কোচকে নিতে পারি কি না। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির জন্য আলাদা তিন বা ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি একসঙ্গেও থাকতে পারে।’

সবার সঙ্গে আলোচনা করে কী জানলেন কারস্টেন—এ প্রশ্নে নাজমুল জানালেন, বিসিবি কী ধরনের কোচ খুঁজছে, সেটিই বুঝতে চেয়েছেন প্রোটিয়া কোচ। আপাতত তিনি দেশে ফিরে যাবেন। এ নিয়ে আরও কাজ করবেন। অনেকের সাক্ষাৎকার নেবেন। শিগগিরই আবার বাংলাদেশে আসবেন। কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া যে জটিল রূপ পেয়েছে, এটি শেষ হচ্ছে কবে? নাজমুলের আশা, ১৫ জুনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে, ‘আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের আগে জাতীয় দলের ফুল সেটআপ চাচ্ছি। ২৪-২৫ জুনে দল রওনা দেবে। এটা মাথায় রেখে সে আবার আসবে। আমাদের আশা, ১৫ জুনের মধ্যে কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারব।’

জাতীয় দলের কোচ-সমস্যার সমাধান হয়ে গেলে কারস্টেন মনোযোগ দেবেন বাংলাদেশ ‘এ’ দল, হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচের সন্ধানে।