সংবাদ প্রকাশে দুটি সংষ্কার করা হলেও নষ্ট আছে আরো দুটি গেট বেরিয়ার : চিত্র ফুলবাড়ীগেট রেলক্রসিংয়ের

0
735

এম শফিঃ ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) প্রতিনিধি :
খুলনা যশোর অঞ্চলের রেলওয়ের সব থেকে গুরুত্বপুর্ণ রেলক্রসিং ফুলবাড়ীগেট ক্রসিং ৭৭ নং গেটটি। গত ২৯ মে গুরুত্বপুর্ণ এই রেলক্রসিং নিয়ে পত্রিকায় স্বচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর গতকাল মঙ্গলবার সকালে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কিছুটা উদার হয়ে ৮টি গেট বেরিয়ারের মধ্যে দুটি সংষ্কার করে নতুন দুটি বেরিয়ার স্থাপন করেছেন। খুলনা যশোর মহাসড়কের ডাবল লাইন সড়কের চারটি গেট বেরিয়ারের মধ্যে এখন পর্যন্ত দুটি গেট বেরিয়ার নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। নষ্ট দুটি গেট বেরিয়ারের সংষ্কার বা সারার কোন পদক্ষেপ নাই বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে। নষ্ট গেট বেরিয়ার এবং একই সাথে গেটম্যানের জনবল উভয় সংকটে যে কোন মুহুর্তে ঘটে যেতে পারে অনাকাংখিত প্রাণহানীর মতো দুর্ঘটনা।

 

চরম অবহেলিত গুরুত্বপুর্ণ ফুলবাড়ীগেট রেলক্রসিং (৭৭নং গেট) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা আর দায়িত্বহীনতা বছরের পর বছর গেট বেরিয়ার এবং জনবল সংকটে চরম ঝুকিপুর্ণ ভাবে দায়সারা কাজ চালিয়ে আসছে কর্তপক্ষ। ক্রসিংয়ের নিরাপত্তার কাজে ডাবল লেন সড়কে ৪টি গেট বেরিয়ার প্রয়োজন কিন্ত বাস্তবে ৮টি দৃর্শ্যমান থাকলেও কাজ করছে মাত্র দুটি গেট বেরিয়ার যা গতকাল মঙ্গলবার স্থাপন করা হয়েছে। এখনও দুটি গুরুত্বপুর্ণ গেট বেরিয়ার নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। মহাসড়কের ব্যস্থতম সড়কের রেলক্রসিংয়ের অতি প্রায়োজনী দুটি গেট রেরিয়ার নষ্ট থাকায় মহাসড়কে কোন প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই যানবাহন এবং পথচারীগণ ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। এর সাথে দীর্ঘদিন যাবত রয়েছে এই পয়েন্টের জনবল সংকট। গুরুত্বপুর্ণ এই পয়েন্টটি অজ্ঞাত কারণে গেট বেরিয়ার এবং জনবল নিয়োগে বৈষম্যের স্বিকার হ্েচ্ছ। রেলওয়ের সূত্রে জানাগেছে, দৌলতপুর (৮০নং) গেটে গেটম্যান রয়েছে ৫জন, নতুন রাস্তা(৮০নং) গেটে ৪জন, আফিলগেট(৭৪নং) গেটে ৪জন, রেলিগেট(৮২নং) গেটে ৪জন, বৈকালী (৮৪নং) গেটে ৪জন, মানিকতলা (৮৮নং) গেটে ৩জন। লিংরোড এবং যানবাহনের চাপ কম থাকলেও সেখানকার রেলক্রসিংয়ে জনবল৪/৫ জন করে অথচ মহাসড়কের অত্যন্ত ব্যস্থতম ও গুরুত্বপুর্ণ এই রেলক্রসিংয়ে গেট বেরিয়ার নষ্ট থাকার পরও গেটম্যান রয়েছে মাত্র ৩জন । গেট বেরিয়ার এবং জনবল সংকটে যে কোন মুহুর্তে ঘটে যেতে পারে মারাক্তক দূর্ঘটনা। আশংকা রয়েছে বহু মানুষের প্রাণহানীর ।
এ বিষয়ে কথা বলতে খুলনা যশোর অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন আমরা নিরুপায় আমাদেরকে এ সকল কাজের জন্য কোন বরাদ্ধ নাই এমন কি জরুরী কাজেরর জন্য কোন বরাদ্ধ দেওয়া হয়না। অকেজো দুটি গেট বেরিয়ার সরিয়ে ফেলে এক জোড়া গেট বেরিয়ার স্থাপন করা হয়েছে তাও নিজের পকেটের অর্থ দিয়ে। তিনি আরো বলেন অর্থের যোগান পেলে তাৎক্ষনিক ভাবে সকল সংষ্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে। জনবল সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন এ বিষয়টি আমাদের আওতায় না হওয়ায় আমি কিছু বলতে পারবোনা।