শেষ পর্যন্ত ভেঙেই গেল শাকিব-অপুর বিয়ে

0
359

বিনোদন ডেস্ক, খুলনাটাইমস:

শেষ পর্যন্ত সব রাস্তা ও সকল চেষ্টাই ব্যর্থ হলো।আজই চূড়ান্ত ফয়সালা হয়ে গেল যে, স্বামী-স্ত্রী হিসেবে আর কোনোদিনই এক ছাদের নিচে থাকা হবে না শাকিব-অপুর।
তবে এই তালাক নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ডিএনসিসির নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন। তিনি বলেন, ‘অপু বিশ্বাস দাবি করেছেন তালাকের আবেদনে যে স্বাক্ষর রয়েছে সেটি শাকিবের নয়। স্বাক্ষরটি শাকিবের কী না সেই ব্যাপারে আমরাও নিশ্চিত হতে পারিনি। শাকিব ও তার উকিলকে বেশ কয়েকবার তলব করেও এই ব্যাপারে কোনো সদুত্তর মেলেনি। তাই অপু যদি চ্যালেঞ্জ করেন এবং স্বাক্ষরটি শাকিবের নয় বলে প্রমাণ হয়, তবে ডিভোর্সের আবেদনটিই বাতিল হয়ে যাবে। তাছাড়া একটি ডিভোর্স কার্যকর করার জন্য যেসব তথ্য ও প্রমাণ দরকার তার অনেক কিছুই শাকিব খান প্রদান করেননি।’
গত ২২ ফেব্রুয়ারি নায়ক শাকিব কর্তৃক স্ত্রী অপুকে তালাকের নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিন পূর্ণ হয়। আইনগতভাবে ওইদিনই তারকা এ জুটির তালাক কার্যকর হয়। ওই দিনের পর থেকে তারা আর স্বামী-স্ত্রী নন। তারপরও আলোচিত দুই তারকাকে নিয়ে ১২ মার্চ তৃতীয় ও শেষ শুনানির তারিখ জানিয়েছিলেন ডিএনসিসি অঞ্চল-৩-এর নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন। সোমবার ছিল সেই দিন।
যদিও শাকিব খান আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তৃতীয় সালিশি বৈঠকেও তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন না। এমনকী অপুর সঙ্গে সংসার করা একেবারেই অসম্ভব বলেও কদিন আগে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন। এর আগের দুটি সালিশি বৈঠকেও শাকিব উপস্থিত ছিলেন না। দিনক্ষণ জানা সত্ত্বেও দুই বারই শুটিংয়ের কাজে দেশের বাইরে ছিলেন দেশসেরা এই তারকা।
অন্যদিকে, দুটি সালিশি বৈঠকের প্রথমটিতে উপস্থিত ছিলেন অপু বিশ্বাস। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সালিশি বৈঠকের সময় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেন, শাকিবের দেয়া তালাকের সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নিয়েছেন। কাজেই, দ্বিতীয় সালিশি বৈঠকের কোনো প্রয়োজন নেই। তারপরও তারকা এ জুটির সংসার টেকাতে শেষ চেষ্টা হিসেবে তৃতীয় ও শেষ শুনানির দিন ঠিক করে ডিএনসিসি। কিন্তু তাতে শাকিব বা অপু কেউই কোনো আগ্রহ দেখাননি। অনুপস্থিত ছিলেন দুজনই।
শেষ পর্যন্ত ডিভোর্স মেনে নিলেন অপু ও শাকিব দুজনই।

সংবাদটি শেয়ার করুন।