শিরোমণিতে নববধূকে ধর্ষণের চেষ্টায় মামলা

0
665

ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি:
খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমণি দক্ষিণপাড়ায় নববধূ(২০)কে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে খানজাহান আলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় শিরোমণি চৌধুরী ফার্মেসীর মালিক মোঃ ইমন চৌধুরী(৫০) গত ২৪ আগষ্ট ইমন চৌধুরীর ভাড়াটিয়া নববধূ শারীরীক ভাবে অসুস্থ হওয়ায় চৌধুরী ফার্মেসীতে চিকিৎসা নিতে আসে, এসময় ইমন চৌধুরী পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কিছু ঔষধ খাওয়ার পর কোন পরিবর্তন না হওয়ায় ঐ দিন রাত সাড়ে ৮ টায় পূনরায় ফার্মেসীতে যায়, সেখানে যাওয়ার পর একটি ইঞ্জেক্শান পুশকরে বাড়ি ফিরে আসে, পরের দিন ২৫ আগষ্ট রাত ১০ টায় শারীরীক অবস্থা আরোও খারাপ হলে পূর্বের ঔষধ গুলি সেবন করতে বলে ইমন। ঔষধ খেয়ে আরোও বেশী অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত সাড়ে ১০ টায় ইমন তার বাড়ীর নিচ তলার একটি রুমে থাকতে দেয়। ইমন চৌধুরী তার স্ত্রী প্রিয়াকে নিয়ে তার নিজের রুমে থাকে, গৃহবধূ বেশী অসুস্থ খাকায় উদ্যেশ্য মুলকভাবে দরজা খোলা রেখে ঘুমাতে বলে। রাত ৩ টায় সুকৌশলে গৃহবধূ ঘুমে থাকা অবস্থায় ঘরে ঢুকে নববধূকে জাপ্টে ধরে এবং পরিহিত বস্ত্র খুলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তার আত্মচিৎকারে ইমনের স্ত্রী প্রিয়া নববধূকে এসে উদ্ধার করে তার রুমে নিয়ে যায় এসময় সে অচেতন হয়ে পড়ে। পরের দিন ২৬ আগষ্ট সকাল ১১ টায় জ্ঞান ফিরে নববধূ দেখতে পায় দিঘলিয়া উপজেলার ইমনের বড় ভাই হেমায়েত চৌধুরীর বাড়ীতে। পরবর্তিতে তার মা কাজলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় সে। এসময় তার মা এবং স্বামী আল আমিন শেখ তাকে খুজতে থাকে। দির্ঘ্য ৫ দিন পর তাকে কামার গাতী হেমায়েত চৌধুরীর বাড়ী থেকে তার মা এবং স্বামী নববধূকে নিজ বাড়ীতে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এঘটনায় খানজাহান আলী থানায় মোঃ ইমন চৌধুরীকে আসামী করে ফাতেমাতুজ্জহরা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন যার নং-৭, তাং-২৩/৯/১৯। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে খানজাহান আলী থানা অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান আসামীকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।