শরণখোলায় ল্যাপটপ বিতরণে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ

0
633

শেখ মোহাম্মদ আলী, শরণখোলা  : বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ৪৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারী ল্যাপটপ সরবরাহের নামে শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তর ও শিক্ষকদের সুত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষার
্মান উন্ন্য়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার দ্বিতীয় ধাপে শরণখোলা উপজেলার ৪৭ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ বরাদ্দ দেন। এ সুযোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান পাইক  তার সহযোগী শিক্ষক নেতা আলমগীর হোসেন ও জাকির হোসেনের মাধ্যমে জেলা শিক্ষা অফিস সহ কিছু চা-পানির খরচ বাবদ প্রত্যেক স্কুলের শিক্ষকদের নিকট থেকে ১ হাজার টাকা করে আদায় করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে, উপজেলার কয়েকটি
বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক বলেন, ল্যাপটপ নিতে শিক্ষক আলমগীর ও জাকির হোসেনকে যাতায়াত ও চা-পানির খরচ বাবদ ১ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে। এছাড়া চলতি বার্ষিক পরীক্ষার প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র সরবরাহের ক্ষেত্রেও অন্যান্য উপজেলার চেয়ে ৩/৪ টাকা করে কয়েক হাজার টাকা  বেশী হাতিয়েছেন ওই শিক্ষক নেতারা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত ১৩ ডিসেম্বর বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ডাঃ মোঃ মোজাম্মেল হোসেন মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় এক অনুষ্ঠানে  সরকারের পক্ষে দু-উপজেলার ১৬৭ সরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের হাতে ওই ল্যাপটপ তুলে দেন।
সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান পাইক ল্যাপটপ বিতরণে অর্থ বানিজ্য সম্পূর্ন গুজব বলে দাবী করলেও প্রশ্নপত্রে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণের বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি।

অপরদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল ইসলাম মুঠোফোনে জানান, ল্যাপটপ বাবদ কোন টাকা গ্রহণ করা হয়নি। তবে অনুষ্ঠানের খরচ বাবদ বিভিন্ন বিদ্যালয় কিছু আর্থিক সহযোগিতা করেছে মাত্র।