লঘুচাপে উত্তাল সাগর জাল ফেলতে না পেরে জেলেরা নিরাপদ আশ্রয়ে

0
536
sdr

শরণখোলা আঞ্চলিক অফিস : ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে যাত্রা করেও লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগরে জেলেরা মাছ ধরতে পারছেনা । অবরোধ শেষে শরণখোলা থেকে ২৮ অক্টোবর রাতে ছেড়ে যাওয়া ফিসিং বোট গুলো সাগরে যেতে না পেরে তিন দিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী ও খালে নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে। এ অবস্থায় উপজেলার সহ¯্রাধিক ফিশিং বোটের মালিক লোকসানের চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
বুধবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে অন্ততঃ ২০-২৫টি ফিসিং বোট সাগরে যাবার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে শরণখোলার রাজৈর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে নোঙর করা অবস্থায় দেখা গেছে। এসময় বোট মালিক তহিদুল তালুকদারের এফবি মা-জাহান ফিসিং বোটের মাঝি মো. আবুল কাশেম ও দেলোয়ার ফরাজীর এফবি রূপসা ফিসিং বোটের মাঝি নূরআলম জানান, অবরোধ শেষে ২৮ অক্টোবর মধ্যরাতে তাদের সাগরে রওনা হওয়ার কথা। এজন্য বোটে জ্বালানি, বরফসহ সমস্ত বাজারসদায় করে প্রস্তুত। কিন্তু এরই মধ্যে আবহাওয়া খারাপ দেখে তারা বোট ছাড়েননি।
জাতীয় মৎস্য সমিতির শরণখোলা শাখার সভাপতি মো. আবুল হোসেন বলেন, এবছর ইলিশ মৌসুমের শুরু থেকেই কয়েক দফা দুর্যোগে পড়ে অধিকাংশ জেলে-মহাজন লাখ লাখ টাকা লোকসানে রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার ২২দিন পর সাগরে রওনা করেও বৈরী আবহাওয়ায় যেতে পারেনি। শরণখোলার বিভিন্ন এলাকায় এক হাজারেরও বেশি ফিশিং বোট রয়েছে। অবরোধের পর সাগরে যাবার জন্য প্রত্যেক বোটে ৫০ হাজার থেকে এক-দেড়লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করে এখন চিন্তায় পড়েছেন।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, দুর্যোগে আশ্রয় নেওয়া ফিসিং ট্রলার ও জেলেদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীদের বলা হয়েছে।