লক্ষ্মীপুরে শ্বশুরবাড়িতে জামাই খুন

0
342

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
লক্ষ্মীপুরে শ্বশুরবাড়িতে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে জামাই কাজী ওমর ফারুককে (২৮) খুন করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার (৩০ এপ্রিল) রাতে চন্দ্রগঞ্জের পূর্ব জাফরপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের স্বজনদের দাবি, পারিবারিক কলহের জের ধরে তাকে হত্যা করেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

নিহত ফারুক চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে। তার সাত মাস বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। পেশায় কৃষক ছিলেন তিনি।

পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, প্রায় আড়াই বছর আগে ফারুকের সঙ্গে একই ইউনিয়নের পূর্ব জাফরপুর গ্রামের আবদুল মান্নানের মেয়ে মমতাজ আক্তার ডলির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দিত। তিন মাস আগে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। ওইসময় শ্বশুরবাড়ির লোকজন ফারুকের বাড়িতে এসে তাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। কিছুদিন পর আবার ঝগড়া হলে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাবার বাড়ি চলে যান ডলি।

গতকাল সোমবার বিকেলে স্ত্রী ডলি মোবাইল ফোনে ফারুককে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার জন্য বলেন। সন্ধ্যায় তিনি ওই বাড়িতে যান। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে খুন করে একটি কক্ষে রাখে বলে স্বজনদের অভিযোগ। বাড়ির আশপাশের লোকজন বিষয়টি অনুমান করতে পেরে পুলিশে খবর দেন। রাতেই পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে। এ সময় মেঝে থেকে একটি রক্তমাখা দা জব্দ করে পুলিশ। পরে আজ মঙ্গলবার (১ মে) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

চন্দ্রগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাফর আহাম্মদ বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি রহস্যজনক। তবে ঘটনার আলামত পেয়ে ধারণা করা হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।