রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পদক পেলেন রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান

0
833

বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে‘ রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৬’ পেলেন রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান। তিনি রানার অটো মোবাইলস লিমিটেডের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার দুপর ২টায় ওসমানি মিলনায়তনে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ-এর হাত থেকে ট্রফি ও সনদপত্র গ্রহন করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। রানার অটো মোবাইলসের মাধ্যমে দেশের মোটরসাইকেল শিল্পে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় উৎপাদন শিল্পের মাধ্যমে তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রেখে চলেছেন। রানার অটোমোবাইলস্ দেশের মোটরসাইকেল শিল্পের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নেপালে প্রথমবারের মতো‘ মেড ইন বাংলাদেশ ব্র্যান্ডে রপ্তানিও শুরু করেছে।

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৬’ এর জন্য মনোনীতদের চূড়ান্ত তালিকা গত ৮ ফেব্রæয়ারি প্রকাশ করে শিল্প মন্ত্রণালয়। এবার ছয়টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতে অবদানের স্বীকৃতি, প্রণোদনা সৃষ্টি এবং সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতেই সরকার এ পুরস্কার দিচ্ছে।

হাফিজুর রহমান খান ব্যবসায়ীদের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশের (আইবিএফবি) সভাপতি এবং মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

 

পুরস্কার প্রাপ্তিতে এক প্রতিক্রিয়ায় রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, ‘এক সময় মোটরসাইকেলের পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। এতে বড় অংকের বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যেত। কিন্তু এরই মধ্যে রানার অটোমোবাইলস্সহ কয়েকটি স্থানীয় ব্র্যান্ড ২৫ শতাংশের বেশি বাজার প্রায় ইতিমধ্যে দখল করেছে। আরও কয়েকটি বিদেশী ব্র্যান্ড শিগগির উৎপাদনে আসছে। পাশাপাশি কয়েকটি কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে সংযোজন শুরু করেছে। এভাবে মোটরসাইকেল শিল্পে ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে স্থানীয় শিল্প। সরকার গত বাজেটে স্থানীয়ভাবে মোটরসাইকেল উৎপাদনে শুল্ক সুবিধা  দেওয়ায় সবাই এদেশে মোটরসাইকেল উৎপাদনে উৎসাহিতহচ্ছে।’

তিনি বলেন, রানার গ্রুপসহ দেশিয় শিল্পোদ্যোক্তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ একদিন মোটরসাইকেল শিল্পের ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হবে বলে আমি দৃড়ভাবে বিশ্বাস করি।

রানার গ্রুপ, চীনের ডায়াং মোটরসাইকেল বিপণনের মাধ্যমে রানার অটোমোবাইল স্লিমিটেড যাত্রা শুরু করে ২০০০ সালে। ২০০৭ সালে ময়মনসিংহের ভালুকায় স্থাপন করা হয় মোটরবাইকের কম্পোনেন্টস তৈরির কারখানা। ২০১১ সালে রানার ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং, এসেম্বলিং, টেস্টিং, চেসিস, রিয়ার ফোরক, ফুয়েল ট্যাঙ্ক, মেইন স্ট্যান্ড, সাইড স্ট্যান্ড, ফুটপিগ এবং ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আতœপ্রকাশ করে। ২০১২ সালে পুরোদমে মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করে রানার গ্রুপ। এ সকল যন্ত্রাংশ রং করার জন্য অত্যাধুনিক পেইন্টশপ স্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।