রমজানে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা সহিংসতা বন্ধ করুণ : নগর বিএনপি

0
315

বিজ্ঞপ্তি : ২১ নং ওয়ার্ড বিএনপির প্রচার সম্পাদক আলতাফ হোসেন শনিবার ইফতার শেষে রাত ৮ টার দিকে স্টেশন রোডের কদমতলা এলাকায় এলে আওয়ামী লীগের মদদপুষ্ট চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ী রাফিক, রাশেদ, আশিক, হৃদয়সহ ১৫/২০ জন তার ওপর চড়াও হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। সন্ত্রাসীরা তার ডান চোখটি তুলে ফেলার চেষ্টা করে এবং বারবার সেখানে আঘাত করে। এ ছাড়া তার সমস্ত শরীরে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ছাত্রলীগ-যুবলীগ উল্টো আলতাফকে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে রবিবার সকাল ১১ টার দিকে বাজার এলাকায় সশস্ত্র অবস্থায় মিছিল করেছে।
এর আগে কেসিসি নির্বাচনের আগে এবং পরে নগরীর ১৮, ২১, ২২, ২৪, ২৯, ৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ড এলাকায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের তান্ডব, হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিএনপির কর্মীদের এলাকায় ছাড়ার হুমকি, সরকারি দলে যোগদানের নির্দেশ, কর্মস্থল ত্যাগে বাধ্য করা, ধর্মগ্রন্থ ছুয়ে ভবিষ্যতে বিএনপি না করার শপথ করতে বাধ্য করা, এমনকি এসিড নিক্ষেপের মতো বর্বরোচিত ঘটনা ঘটছে। ভোট ডাকাতির নির্বাচনে জয়ী কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় এসব ঘটনা ঘটলেও পুলিশ প্রশাসন সম্পূর্ণ নির্বিকার। উল্টো আক্রান্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
২১নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের রেজাউলকে ধরে নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর পুলিশে সোপর্দ করলে পুলিশ তাকে চুরির মামলায় চালান দিয়েছে। জসীম, সাখাওয়াত, অহিদ, হেলালসহ ১০/১২ জনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা দিয়ে দিয়েছে শাসক দলীয় ক্যাডাররা। সাংবাদিক মানিক সাহা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী সরকারি দলের সন্ত্রাসী কচি ওরফে কালা কচি শ্রমিক দল নেতা কালামতে ধরে বেদম পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। কালুর বসতঘরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। রুস্তমের বাড়িতে এসিড নিক্ষেপ করলে তার ১১ বছর বয়সী নাতি জুম্মন শেখ গুরুতর আহত হয়। পরে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এই সংবাদ প্রচার করলে এই পরিবারকে এলাকা ছাড়া করা হয়।
২২ নং ওয়ার্ড যুবদল কর্মী জুয়েল সরদারকে ১ জুন সকাল ১০ টার দিকে রূপসা ফেরীঘাট এলাকায় হামলা চালিয়ে বেদম মারপিট করা হয়। ইজিবাইক চালক জুয়েল সিটি নির্বাচনে ধানের শীষেল পক্ষে কাজ করেছিল। এই অপরাধে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মিঠুনের ছেলে আমীরের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়। বিএনপি নেতারা অবিলম্বে এ ধরনের ঘটনা বন্ধে উদ্যোগ নেয়ার জন্য আওয়ামী রীগ নেতাদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। সেই সাথে সন্ত্রাসী অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে কটোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য এম নূরুল ইসলাম দাদুভাই, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও কেসিসি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, মীর কায়সেদ আলী, মোঃ মুশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সিরাজুল ইসলাম মেঝোভাই, স ম আব্দুর রহমান, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, ফকরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু ও আসাদুজ্জামান মুরাদ প্রমুখ।