মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পুলটি এখন মরণ ফাঁদ

0
334

মোরেলগঞ্জ(বাগেরহাট)প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী ইউনিয়নের ১১৪ নং এসপি বারইখালী সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয় সংলগ্ন পুলটি সংষ্কার কিংবা পুনঃনির্মানের না হওয়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজার হাজার লোক চরম ভোগান্তি শিকার হচ্ছে। এটি এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। যে কোন সময় পুলটি ভেঙ্গে পড়ে ঘটতে পারে বড় কোন দূর্ঘটনা।
এলাকাবাসি জানায়, উপজেলা উত্তর সুতালড়ী-বারইখালী সংযোগ খালের এ জনগুরুত্বপূর্ণ পুলটি দীর্ঘ বছর ধরে জীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এ পুলের দুই পাড়ের রয়েছে, মরহুম পীর হিসেবে খ্যাত খোড়া হাফেজ সাহেবের মাদ্রাসা ও এতিমখানা, রয়েছে ১১৪ নং এসপি বারইখালী সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়, বিএসএস দাখিল মাদ্রাসা, জোমাদ্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদভিত্তিক ইসলামী পাঠাগার, জোমাদ্দারপাড়া বাজার । মাদ্রাসা ও স্কুলের শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করে এ পুল দিয়ে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। বিশেষ করে শিশু শিক্ষার্থীরা । ১১৪ নং এসপি বারইখালী সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা ফারজানা বিথী ঝুঁকিপূর্ণ পুলটি ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। তিনি তার স্ট্যাষ্টাসে লিখেছেন,“ আমি সাঁতার না জানায় হয়তো সলিল সমাধি আমারই হবে”। তার এ স্ট্যাষ্ট্যাসটি এলাকার বিকেবান মানুষের বিবেককে নাড়া দিকেত সক্ষম হয়েছে।
বারইখালী ও উত্তর সুতালড়ী গ্রামের যোগাযোগের উন্নয়ন ও দুই পাড়ের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য বছর পাঁচ আগে এ পুলটি নির্মান করা হয়। এর আগে এলাকার শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ বাঁশের সাকো দিয়ে বছরের পর বছর দুই পাড়ের যোগাযোগ সচল রাখার চেষ্টা করছিল। পরে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বারইখালী বড় খালের একটি পুরাতন পুলের যন্ত্রাংশ দিয়ে এ পুলটি নির্মান করা হয়। পুরাতন যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরী এ পুলটি একাধিকবার ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক সহায়তায় সংস্কারের কাজ ও হয়েছে। কিন্তুু বর্তমান পুলটি সংষ্কারের পর্যায় নেই। প্রয়োজন নতুন পুলের।
বিএসএস দাখিল মাদ্রাসা সুপার মো. ওহিদুজ্জামান জানান, বিভিন্ন মিডিয়ায় ভাঙ্গা পুলটি নিয়ে একাধিক রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও কর্তৃপক্ষ উদাসীন। বারইখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান লাল জানান, পুলটি এখন সংষ্কার না করে নতুনভাবে নির্মান করা একান্ত আবশ্যক।