মোরেলগঞ্জে একটি রাস্তার বেহাল দশা দেখার কেউ নেই

0
181

 মেজবাহ ফাহাদ, মোড়েলগঞ্জ:

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়নের ২নং নিশানবাড়িয়া গ্রামের ১৭০ নং তাসিন উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নিশানবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা রাস্তা চলাচলের অনুপোযোগী হওয়ায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন গ্রামবাসীরা।

কাঁচা রাস্তা হিসাবে নির্মাণের দীর্ঘ ৪০ বছর পার হলেও পাকা হয়নি এ রাস্তাটি। বর্ষা মৌসুমে কর্দমাক্ত এ রাস্তায় দুর্ভোগ বেড়ে যায় বহুগুনে। জরুরি মালামাল বহন, জরুরি চিকিৎসা সেবা তো চিন্তাই করা যায় না। করোনায় এখন স্কুল বন্ধ থাকলেও স্কুল চলাকালীন ওই গ্রামের কোমলমতি ছেলেমেয়েরা তাদের ১৭০ নং তাসিন উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নিশানবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটোতে যেতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বৃষ্টি মৌসুমে গামছা পড়ে খালে নেমে অথবা নৌকায় করে অভিভাবকদের ছেলেমেয়েদের বিদ্যালয় পৌঁছে দিতে হয়। সামান্য জোয়ারের পানিতে হাঁটু জল হয়ে যায় এ রাস্তাটি। বর্তমান সরকারের আমলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় মাটির বড় রাস্তা দেখা অনেকটা দুর্লভ হলেও এই রাস্তাটি বাস্তবতা। সোমবার দুপুরে নিশানবাড়িয়া গ্রামবাসী এক মানববন্ধন করে বলেন, রাস্তাটির প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ পথ কাঁদামাটির এবং বেহাল দশা। রাস্তার কোন আকৃতি নেই বললেই চলে।

গত তিন যুগ ধরে অতীতের সব চেয়ারম্যানরাই এই ২ নং ওয়ার্ডের এই নিশানবাড়িয়া গ্রামের উন্নয়নে অনাগ্রহী ছিলেন। আমাদের কোমলমতি শিশুরা বর্ষা মৌষুমে এ রাস্তাটি দিয়ে যেমন স্কুলে যেতে পারছেনা তেমনি স্থানীয় কোন পুরুষ, মহিলা, বয়স্ক লোক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসার জন্য কোথাও নিতে গেলে দীর্ঘ পথ কোলে করে ছাড়া উপায় হয় না। বর্তমানে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলে আমাদের চরম ভোগান্তিতে কাটছে। তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ রাস্তাাটিকে কাঁদামাটি থেকে পাকা রাস্তা নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকার ভুক্তোভুগি সাধারণ মানুষ।

খুলনা টাইমস/এমআইআর