মোংলা বন্দর ড্রেজিং, ইপিজেড, অর্থনৈতিক অঞ্চল, রেল লাইন, বিমান বন্দর সবই শেখ হাসিনার অবদান : এমপি খালেক

0
589
dav

মোংলা প্রতিনিধি :
মোংলা-রামপালের (বাগরহাট-০৩ আসন) সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার দুরদর্শিতা ও পরিশ্রম দিয় এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তার পিতার অসমাপ্ত সোনার বাংলা গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই মোংলা বন্দর ড্রেজিং হয়েছে। ইপিজেড গড়ে তোলা হয়েছে, যেখান কয়েক হাজার নারীর কর্মসংস্থান হয়েছে। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ২২টি গ্যাস ফ্যাক্টরী নির্মাণের কাজ চলছে। শুরু হয়েছে মোংলা-খুলনা রেল লাইন নির্মাণের কাজ। এছাড়া শীঘ্রই ৫৩৬ একর অধিগ্রহণকৃত জমির উপর খান জাহান আলী বিমান বন্দর ও মোংলা নদীর উপর ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। এ সব কিছুই আওয়ামী লীগ সরকারের অবদান। বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে মোংলা বন্দর অচল ছিল। তৎকালীন রাষ্ট্র পরিচালনাকারীদের বিমাতাসুলভ আচরণের কারণে সামান্য টাকার জন্য তখন বন্দরের পশুর চ্যানেল ড্রেজিং করা সম্ভব হয়নি। ফল জাহাজ আসতে পারতো না। আর শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মোংলা বন্দরের আয় ও জাহাজ আগমনের সংখ্যা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বর্তমানে যে কর্মযজ্ঞ চলছে তাতে আগামীতে মোংলা বন্দরের কর্মব্যস্ততা কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে। রবিবার দুপুরে দিগরাজ সংলগ্ন বুড়িরডাঙ্গার কালীবাড়ী এলাকায় কল্যাণ বহুমুখী উন্নয়ন সমবায় সমিতির ৯ম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।

dav

তিনি আরো বলেন, একজন রাষ্ট্র প্রধান (শেখ হাসিনা) তার দুরদর্শিতা ও পরিশ্রমের কারণে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা ২০২১ সালে একটা মধ্য আয়ের জাতি ও ২০৪১ সালে উন্নত জাতির সঙ্গে বাংলাদেশকে তুলনা করবো। আমাদের দেশ এখন সেই অবস্থাই বিদ্যমান। তাই পিছিয়ে পড়লে হবে না দেশের এ অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে সমবায়ের মাধ্যম নারীদেরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সমিতির সভাপতি স্মৃতি সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তৃতা করেন সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুন নাহার, উপজলা ভাইস চয়ারম্যান কামরুন নাহার হাই, বুড়িরডাঙ্গা ইউপি চয়ারম্যান নিখিল চদ্র রায়, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইস্রাফিল হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন। ২০০৬ সালে শুরু হওয়া কল্যাণ বহুমুখী উন্নয়ন সমবায় সমিতির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮শ জন। এ সকল সদস্যরা সমিতিতে প্রায় কোটি টাকা জমিয়েছেন। যা থেকে তারা লোন নিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছেন এবং অপরকে সহায়তা করছেন। সমিতিটি বাগেরহাট জেলা ও মোংলা উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর থেকে শ্রেষ্ঠ সংগঠন হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে।