মোংলা বন্দরের ব্যবসায়ীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে কোটি টাকা চাঁদা দাবী, থানায় মামলা

0
413

বাগেরহাট প্রতিনিধি:
মোংলা বন্দরের ব্যবসায়ীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে কোটি টাকা চাঁদা দাবী করায় রফিকুল ইসলাম বাবলু নামের একজনের নামে মোংলা থানায় মামলা হয়েছে। বিভিন্ন সময় ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দিয়েও রক্ষা না পেয়ে নতুন করে আরও এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে বন্দর ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস নুরু এন্ড সন্স কোং এর ম্যানেজারকে আগ্নেয়াস্ত্র¿ ঠেকিয়ে ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়ায় ঘটনায় থানায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মোংলা থানা পুলিশ। মের্সাস নুরু এন্ড সন্স কোং এর ম্যানেজার সাধন কুমার চক্রবর্তী জানান, মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস নুরু এন্ড সন্স কোং এর মালিক এইচ এম দুলাল রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার নদী খননের আর্ন্তজাতিক ভারতীও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রায়তীকুশাল সি ঈগল ড্রেজিং জেভি’র সাথে ফুয়েল (জ্বালানি তেল) সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ হয়। তেল সরবরাহের মূল্য হিসেবে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রায়তীকুশাল সি ঈগল ড্রেজিং জেভি’র কাছে মের্সাস নুরু এন্ড সন্স কোং এর মালিক এইচ এম দুলাল প্রায় ৩ কোটি ৬৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা পাওনা হন। এরই মধ্যে পাওনা টাকার ৩৬ লাখ ২২ হাজার ৮০০ এবং ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক দেয় প্রায়তীকুশাল সি ঈগল ড্রেজিং জেভি। কিন্তু ওই চেকের টাকা ছাড় করাতে বাঁধা হয়ে দাড়ায় প্রায়তীকুশাল সি ঈগল ড্রেজিং জেভি’র (ডিসিআই) বাংলাদেশের স্থানীয় এজন্ট খুলনাস্থ সিগমা শিপিং লাইন্সের মালিক রফিকুল ইসলাম বাবলু। রফিকুল ইসলাম বাবলু ওই টাকা ছাড় করাতে ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৬ আগষ্ট প্রকাশ্যে মোংলা বন্দরের ইঞ্জিনিয়ারিং বিল্ডিং চত্বর এলাকায় মের্সাস নুরু এন্ড সন্স কোং এর ম্যানেজার সাধন কুমার চক্রবর্তীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আবারো ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে বাবলুসহ তার লোকজন। পরে মের্সাস নুরু এন্ড সন্স কোং এর ম্যানেজার সাধন কুমার চক্রবর্তী এ ঘটনায় বাগেরহাট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৩ সেপ্টেস্বর রফিকুল ইসলাম বাবলুকে আসামী করে চাঁদাবাজীর মামলা করেন। আদালত অভিযোগটিকে মামলা হিসেবে রেকর্ড করতে মোংলা থানা পুর্লিশকে নির্দেশ দেয়। মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, আদালতের নির্দেশে গতকাল মামলাটি রেকর্ড করে আসামী বাবলুকে আটকের জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।
এ বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বাবলুর বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে (০১৬১৩ ৩৬৩৫৩৫) যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।