মোংলা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাতক্ষীরা ও মোরেলগঞ্জ থেকে আটক ২

0
694

এ,এইচ শাহিন, মোংলা প্রতিনিধি: মোংলায় কার্গো জাহাজে ডাকাতি ও কিশোরীকে গণ ধর্ষণের মামলায় আত্মগোপনে/পলাতক থাকা দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আটককৃতদেরকে শুক্রবার সকালে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ দুই মামলায় পলাতক বাকী সকল আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, গত ৯ এপ্রিল খুলনার দাকোপ উপজেলার সেন্ট জোসেফ স্কুলের ৫ম শ্রেণীতে পড়–য়া ১৩ বছরের এক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে মোংলার স্থায়ী বন্দর এলাকার পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন পিকনিক কর্ণারে বনভোজনে আসে। পরে সেখান থেকে তাকে মাসদুসহ ৪ যুবক ফুসলিয়ে/প্রলোভন দেখিয়ে পশুর নদীর পাড়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ৯ এপ্রিলের এ ঘটনার পর ১১ এপ্রিল ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে মোংলা থানায় শিশু ও নারী নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় আত্মগোপনে/পলাতক থাকা আসামী ধর্ষক মাসুদ গাজী (৩০) কে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ এলাকা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে মোংলা থানায় নিয়ে আসে। এরপর শুক্রবার সকালে তাকে বাগেরহাট জেলহাজতে পাঠানো হয়। মাসুদ মোংলা শিল্প এলাকার দিগরাজ বাজার সংলগ্ন বালুর মাঠ এলাকার সাহেব আলী গাজীর ছেলে।
এদিকে গত ৯ ফেব্রæয়ারী মোংলা বন্দরের হাড়বাড়িয়া এলাকায় অবস্থানরত এম,ভি রাফিদ নামক একটি কার্গো জাহাজে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় ডাকাতরা কার্গো জাহাজটিতে হামলা চালিয়ে জ্বালানী তেল, নগদ টাকা ও মোবাইল সেটসহ বিভিন্ন মালামাল লুটে নেয়। এ ঘটনার পরদিন মোংলা থানায় দায়েরকৃত ডাকাতি মামলার আসামী অসিম দাস (২৫) কে সাতক্ষীরার মাছখোলা বাজার থেকে বুধবার গভীর রাতে গ্রেফতার করেছে মোংলা থানা পুলিশ। সাতক্ষীরা থেকে গ্রেফতার হওয়া ডাকাত অসিমকে বৃহস্পতিবার মোংলা থানায় আনার পর শুক্রবার সকালে তাকেও বাগেরহাট জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অসিম মাছখোলা এলাকার কালী কুমারের ছেলে।
মোংলা থানার ওসি (তদন্ত) মো: তুহিম মন্ডল বলেন, মোবাইল ট্রার্কিংয়ের মাধ্যমে কার্গো জাহাজ ডাকাতি মামলার আসামী অসিমকে সাতক্ষীরা থেকে এবং কিশোরী ধর্ষণ মামলার আসামী মাসুদকে বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ হতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলায় পলাতক অন্যান্য আসামীদেরকেও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। #