মুম্বাইকে হারিয়ে শেবাগের পাশে ভাগ বসালেন বাটলার

0
315
Jos Buttler's-Fifth-Consecutive-IPL-Fifty-rtv-online-জস-বাটলার-আরটিভি-অনলাইন

স্পোর্টস ডেস্ক:

ফের ব্যাট হাতে নিজের জাত চেনালেন জস বাটলার। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে পর পর পাঁচ ম্যাচে পাঁচটি অর্ধশতরান করলেন জস বাটলার। প্রথম এই কীর্তি অর্জন করেছিলেন বীরেন্দ্র শেবাগ।

রোববার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সেকে মূলত হারতে হল এই ইংলিশ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের দাপুটে ইনিংসের কাছেই।

রোহিত শর্মার দলের ১৬৮ রানের জবাবে ১৮ ওভারে মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় রাজস্থান রয়্যালস। যার সিংহভাগই আসে বাটলারের ব্যাট থেকে।

৫৩ বলে ৯৪ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলেন জস বাটলার। ৯টি চার এবং ৫টি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল বাটলারের ইনিংস।

নিজের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের দৌলতে ম্যাচ সেরাও নির্বাচিত হন ২৭ বছর বয়সী তারকা। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধেও অপরাজিত থেকে একা কাঁধে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন ডান-হাতি এই ব্যাটসম্যান।

গত ম্যাচের সেরাও নির্বাচিত হয়েছিলেন বাটলার। এই ম্যাচে দুরন্ত ইনিংসের সৌজন্যে ১২ ম্যাচে ৫০৯ রান করে সর্বোচ্চ রান শিকারির তালিকায় পাঁচ নম্বরে উঠে এলেন এই ইংলিশম্যান।

এদিন রান পান অজিঙ্কা রাহানে। ৩৭ রান করেন রাজস্থানের অধিনায়ক। ম্যাচের শেষের দিকে ১৪ বলে ২৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন সাঞ্জু স্যামসন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে দু’টি উইকেট নেন হার্দিক পান্ডিয়া এবং একটি উইকেট নেন যশপ্রীত বুমরা।

এর আগে টসে জিতে প্রথমে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ব্যাট করতে পাঠান রাজস্থান অধিনায়ক। প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ নিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান তোলে মুম্বাই। এদিন মুম্বাইয়ের হয়ে ৪২ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলেন এভিন লুইস।

চারটি চার এবং চারটি ছয় দিয়ে সাজানো ছিল এভিনের ইনিংস। এভিন ছাড়া রান পান আরও এক মুম্বাই ওপেনার সূর্যকুমার যাদব। ৭টি চারের সৌজন্যে ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন সূর্যকুমার।

উল্লেখযোগ্য ভাবে এই ম্যাচে রান পাননি মুম্বাই অধিনায়ক (০) এবং গত ম্যাচের নায়ক ঈশান কিষান(১২)।

ম্যাচের শেষদিকে হার্দিক পান্ডিয়ার খেলা ২১ বলে ৩৬ রানের ইনিংস মুম্বাইকে ১৬০ রানের গণ্ডি পেরতে সাহায্য করে।

রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে এই ম্যাচে ভাল বল করেন জোফ্রে আর্চার এবং বেন স্টোকস। দু’টি করে উইকেট পান এই দুই বোলার।

একটি করে শিকার জয়দেব উনাদকট এবং ধবল কুলকার্নির। জবাবে ২ ওভার বাকি থাকতেই মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় রাজস্থান।