ডুমুরিয়ায় নোনাডোরা ও বিষের খাল যুগ যুগ ধরে প্রভাবশালীদের দখলে : দুর্ভোগের অন্ত নেই..

0
670

ডুমুরিয়ার আটলিয়া ও মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের নোনাডোরা ও বিষের খাল দু’টি দীর্ঘ দিন ধরে বেদখল রয়েছে। একশ্রেনীর প্রভাবশালীরা সেখানে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে করছে মাছ চাষ। ফলে বর্ষাকালে পানি নিস্কাসনসহ নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এলাকাবাসীর। খাল দু’টি উচ্ছেদের জন্য মৎস্য ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রীর নিদেশনা থাকলেও অদৃশ্য কারণে এখনও তা কার্যকর হয়নি।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটলিয়া ও মাগুরাঘোনা ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নোনাডোরা ও বিষের খাল। প্রায় চার কিলোমিার বিস্তৃত এই খাল এখন আর জনস্বার্থে ব্যবহৃত হয় না। একটি প্রভাবশালী মহল যুগ যুগ ধরে খাল দু’টি দখলে নিয়ে ইচ্ছামত ব্যবহার করে আসছে। ৪০/৪৫ টি ভেঁড়ি ও নেটপাটার বাঁধ দিয়ে করছে মাছ চাষ। তবে খাল দুইটি এভাবে দখলে রাখায় সাধারন মানুষের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। বিশেষ করে বর্ষাকালে পানি সরবরাহ না হওয়ার কারণে দুই ইউনিয়নবাসীর জলাবদ্ধতায় থাকতে হয়। আবার রবি মৌসুমেও কৃষিকাজ হয় ব্যাহত। খাল দুইটি উচ্ছেদের জন্য এলাকার মানুষ বার বার দাবি করলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এ প্রসঙ্গে আলহাজ্ব আব্দুল গফুর মোড়ল, রবিউল ইসলাম মিঠু, আব্দুস ছাত্তার মোড়ল, বাবুল মোড়লসহ অনেকেই জানান, স্থানীয় প্রভাবশালী আব্দুল জলিল, আলতাফ সরদার, সাত্তার গাজী, দৌলত সরদার, কামরুল ইসলাম লাভলু, সিরাজ ও সজলসহ ২০/২৫ জন দীর্ঘ দিন ধরে খাল দুইটি দখলে রেখে ব্যবহার করছে। ইচ্ছামত ভেঁড়ি বেঁধে ও নেটপাটা দিয়ে তারা মাছ চাষ করছে। এভাবে বাঁধ দেওয়ায় পানি নিস্কাসন হতে পারে না। আবার রবি মৌসুসেও পানির অভাবে কৃষিকাজ ব্যাহত হয়। আমরা অনেক দিন ধরে খাল দুইটি উচ্ছেদের চেষ্টা করছি। কিন্তু আজও উদ্ধার হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড.প্রতাপ কুমার রায় বলেন, এই খাল দুইটির বিষয়ে আমি অবগত রয়েছি। সম্প্রতি দুই ইউনিয়নের জনগণ মৎস্য ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রীর নিকট আবেদন করেছে। ৩১ শে মার্চ মাননীয় মন্ত্রী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য খুলনা জেলা প্রশাসক মহোদয়কে নির্দেশ দেন। কিন্তু আজও তা কার্যকর হয়নি।

প্রতিনিধি