মানবতার বাতিঘর খুলনার শেখ পরিবার-

0
236
                                                                                মোঃ নজরুল ইসলাম, কলাম লেখক
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একমাত্র ছোট ভাই রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ শেখ আবু নাসের এর রক্তের সুযোগ্য উত্তরসুরীদের জন্ম এবং বেড়ে ওঠা খুলনা শহরে। এই পরিবারের অভিভাবক শহীদ শেখ আবু নাসের এর জ্যেষ্ঠ পুত্র বাগেরহাট-১ আসনের বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য জননন্দিত জননেতা শেখ হেলাল উদ্দীন। শেখ হেলাল ৮০’র দশক থেকে দক্ষিণবঙ্গের দিশেহারা আওয়ামীলীগের অভিভাবক হিসেবে দ্বিধাগ্রস্থ, বহুধাবিভক্ত আওয়ামীলীগকে ঐক্যবদ্ধ করতে তার মুন্সিয়ানা দেখান যুবক বয়সেই। পুরস্কার হিসেবে ৯৬ সালে অল্প বয়সেই বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেড়ে দেওয়া বাগেরহাট-১ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে সাংসদ নির্বাচিত হন। তার অপর চার ভাই আগে প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির সাথে জড়িত না থাকলেও রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে তাদের রক্তে-মাংসে রাজনীতি জড়িয়ে আছে ওতপ্রোতভাবে। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর মহানগর আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সরাসরি সম্পৃক্ত হন শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল। শেখ সোহেল উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে খুলনা মহানগর ও জেলা যুবলীগের অভিভাবক হিসেবে কাজ করলেও সংগঠনের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন না। যুবলীগের বিগত সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যম রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে জড়ান শেখ সোহেল। যুবলীগের দায়িত্ব পেয়েই পুরো দক্ষিণবঙ্গ চষে বেড়াচ্ছেন যুবলীগকে সংগঠিত করতে। তাকে পেয়ে দক্ষিণবঙ্গের যুবলীগের নেতাকর্মীরা উদ্বেলিত এবং উচ্ছ্বসিত। শেখ জালাল উদ্দীন রুবেল দলের কোন পদে না থাকলেও খুলনার রাজনীতির মাঠে রয়েছে তার অবাধ বিচরণ। সদা হাস্যজ্জ্বল শেখ রুবেল তার স্পষ্টভাষী চরিত্রের কারনে নেতাকর্মীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

একসময় খুলনা ছিল খুনি, সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য। মানুষের জীবনের কোন নিরাপত্তা ছিল না। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য আর খুনের ঘটনা ঘটত অহরহ। এই শহরে খুন হয়েছেন সততার রাজনীতির প্রতীক, অজাতশত্রু সর্বজন শ্রদ্ধেয় এ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম, অসহায়  গরীব মানুষের বন্ধু এস এম এ রব, প্রভাবশালী জাপা নেতা আবুল কাশেম। মেরে ফেলা হয়েছে জনপ্রিয় কাউন্সিলর ও প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা শহীদ ইকবাল বিথার, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুর মোর্শেদ লাবু সহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দই নন, খুন হয়েছেন খুলনার সাংবাদিক জগতের পথিকৃৎ বীর মুক্তিযোদ্ধা একুশে পদকপ্রাপ্ত হুমায়ুন কবির বালু, সাংবাদিক মানিক সাহা, সাংবাদিক বেলাল সহ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী অসংখ্য মুক্তমনা মানুষ। লোক সমাগম কম শহরের এমন অনেক রাস্তায় একসময় সন্ধ্যার পরে মানুষ বের হত ভয়ে ভয়ে। কখন ছিনতাইকারীর কবলে পড়তে হয় এই আশঙ্কা থাকত মনে। শহরের ঘাটগুলোতে একসময়  চাঁদাবাজি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে সেসময় ঘটত খুনের ঘটনা। সরকারি অফিসগুলিতে ছিল টেন্ডারবাজদের দৌরাত্ম্য। দেড়যুগ আগেও এমন ঘটনা ঘটত অহরহ। আজ থেকে ১৩-১৪ বছর আগেও শহরের মোড়ে মোড়ে মাদকের পয়েন্ট ছিল ওপেন সিক্রেট। মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল খুলনা শহর। মোড়ের চায়ের দোকানগুলো ছিল বখাটেদের আড্ডাখানা। এখন দিন বদলেছে। অন্ধকারাচ্ছন্ন খুলনায় এখন আলোয় উদ্ভাসিত। যেদিন থেকে খুলনার রাজনীতিতে শেখ পরিবার পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষভাবে দেখভাল করা শুরু করেছে সেদিন থেকেই অন্ধকারে নিমজ্জিত খুলনার আলোর পথের যাত্রা শুরু।

খুলনা এখন আর খুনের নগরী নয়, নিরাপদে, স্বাচ্ছন্দ্যে বাসযোগ্য শান্তির নগরী। এখন আর শহরে মাদকের দৃশ্যমান আখড়া নেই। নেই চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, টেন্ডারবাজদের দৌরাত্ম্য। গত প্রায় এক যুগে খুলনায় ঘটেনি তেমন কোন রাজনৈতিক হত্যাকান্ড, জীবন হারাতে হয়নি কোন সাংবাদিককে। ছিনতাই, চাঁদাবাজি অনেকাংশে কমে গেছে। টেন্ডারবাজদের আর দেখা যায় না সরকারি অফিস, আদালতে। রাজনৈতিক সংঘাত, সহিংসতা নেই বললেই চলে। কয়েকবছর আগেও ভূমিদস্যুদের দৌরাত্ম্যে অনেকে ছিল অতিষ্ঠ। ভূমিদস্যুরা রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল। অন্যের জমি, ঘর-বাড়ি বিভিন্ন কলাকৌশলে দখল করে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করত।
বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল খুলনা সদর আসনের এমপি হওয়ার পর যে কোন মূল্যে খুলনাকে চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু ও মাদক মুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ার পর চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু ও মাদক ব্যবসায়ীরা চুপসে গেছে। দলের যাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ছিল তারা দল ও নেতৃত্ব থেকে ছিটকে পড়েছেন। বিভিন্ন ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে এসেছেন পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব। বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সোহেল উদ্দীন এবং শেখ জালাল উদ্দীন রুবেলের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় খুলনা মহানগর যুবলীগের যে আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে তা দলের সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। আহবায়ক সাবেক ছাত্রনেতা শফিকুর রহমান পলাশ এবং যুগ্ম আহবায়ক ছাত্রনেতা শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনের রয়েছে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি। খুলনার ছাত্র, যুবসমাজে তাদের রয়েছে ব্যাপক প্রভাব। যুবলীগের পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব বাছাইয়ের মাধ্যমে খুলনার যুবসমাজকে গ্রীণ সিগন্যাল দিয়েছেন শেখ পরিবারের সদস্যরা। তাদের দিকনির্দেশনায় যুবলীগের ধারাবাহিকতায় খুলনা জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পরিচ্ছন্ন ও পরীক্ষিত  নেতৃত্ব।

আগামীতে শেখ পরিবারের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনায় আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের প্রতিটি স্তরে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুমুক্ত পরিচ্ছন্ন ও পরীক্ষিত জনপ্রিয় নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে বলে খুলনাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস। শেখ পরিবারের অন্যতম সদস্য শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল এমপির প্রচেষ্টায় খুলনায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
খুলনা মহানগরের শতশত মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে দেওয়া হয়েছে ব্যাপক অনুদান। গত প্রায় দুই বছরে করোনা মহামারীতে কর্মহীন হয়ে পড়া হাজার হাজার মানুষকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল এমপি, শেখ সোহেল উদ্দীন, শেখ জালাল উদ্দীন রুবেল এবং শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল এমপির সহধর্মিনী শাহানা ইয়াসমীন শম্পার  উদ্যোগে। শেখ পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে মহানগরের কয়েকশত মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজন, নরসুন্দর, চা বিক্রেতা, কয়েক হাজার কর্মহীন শ্রমিক সহ প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে মানবিক সহায়তার আওতায় খাদ্যসামগ্রী এবং নগদ অর্থ ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছেন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। করোনা মহামারীতে যখন হাসপাতালগুলোতে তীব্র অক্সিজেন সঙ্কট দেখা দিয়েছে তখনই সমগ্র মহানগর ব্যাপী ফ্রি অক্সিজেন সেবা এবং টেলিমেডিসিন সেবা চালু হয়েছে দলমত নির্বিশেষে সমগ্র খুলনাবাসীর নিরাপদ আশ্রয়স্থল খুলনার ঐতিহ্যবাহী ‘শেখ বাড়ি’ তে। করোনা আক্রান্ত রোগীদের হাসপাতালে আনা নেওয়া করার জন্য চালু করা হয়েছে ‘শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল এ্যাম্বুলেন্স সেবা’। ছাত্রলীগ, যুবলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত রোগীদের ফোনকল পেয়ে বাড়ি বাড়ি অক্সিজেন  সিলিন্ডার পৌছে দিয়েছেন। করোনা রোগীদের এ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়েছেন, হাসপাতালে নিয়েছেন। আবার হাসপাতাল থেকে বাড়িতে পৌছে দিয়েছেন। এসবই করেছেন শেখ পরিবারের সদস্যদের দিকনির্দেশনায়।

শেখ পরিবারের বদান্যতা ও মানবিকতায় নগরের শতশত মানুষ ফ্রি অক্সিজেন ও এ্যাম্বুলেন্স সেবা ভোগ করে তাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।শেখ পরিবারের অন্যতম সদস্য যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও বিসিবির বারবার নির্বাচিত সুযোগ্য পরিচালক শেখ সোহেল এর পক্ষ থেকে খুলনা মহানগর যুবলীগের নেতৃবৃন্দ কোয়ারেন্টাইনে থাকা শতশত করোনা আক্রান্ত রোগীকে ফলমূল সহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাদ্যসামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছেন। এই পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে রান্না করা খাবার ছিন্নমূল মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। পুরো রমজান মাস জুড়ে বিতরণ করা হয়েছে ইফতার সামগ্রী। এই পরিবারের অন্যতম সদস্য খুলনা-২ সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল এবং যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিসিবির সুযোগ্য পরিচালক  শেখ সোহেল এর পক্ষ থেকে ঈদের সময় বিতরণ করা হয়েছে কয়েক হাজার শাড়ী, লুঙ্গি এবং পাঞ্জাবী। প্রতিবছর শীতে  তাদের উদ্যোগে শীতার্ত দরিদ্র, অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয় শীতবস্ত্র। এভাবে খুলনার মানুষের প্রয়োজনে, বিপদে-আপদে শেখ পরিবারের সদস্যরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন অকপটে। অসংখ্য অস্বচ্ছল দূর্দিনের ত্যাগী নেতাকর্মীকে গোপনে অর্থ সহায়তা করেন শেখ সোহেল এবং শেখ জালাল উদ্দীন রুবেল। মাননীয় সাংসদের উদ্যোগে শতশত নারী মাতৃত্বকালীন ভাতা পাচ্ছেন। খুলনা শহরের আধুনিকায়নে গ্রহণ করা হয়েছে বিভিন্ন মেগা প্রজেক্ট। রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এবং সদর আসনের সাংসদ শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েলের নেতৃত্বে। খুলনার হাসপাতালগুলোতে আধুনিক চিকিৎসা সু্বিধা বৃদ্ধি এবং ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শেখ সালাহউদ্দীন জুয়েল এমপি এবং শেখ সোহেল উদ্দীন। এই পরিবারের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এতিমখানা ও হেফজখানা যা অসহায় ও দরিদ্র অনেক এতিমের জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও আবাসস্থল।

অথচ ৭৫’র ১৫ ই আগস্ট পরবর্তী অবৈধ সামরিক শাসকদের আমলে দীর্ঘবছর এই পরিবারের সদস্যরা খুলনায় থাকতে পারেননি। আজকের এই শেখ বাড়িটি তৎকালীন খন্দকার মোসতাক ও জিয়ার সরকার সিলগালা করে রেখেছিল। স্কুলে পর্যন্ত পড়তে পারেননি শেখ পরিবারের সদস্যরা। স্কুল থেকে তাদের নাম পর্যন্ত কেটে দেওয়া হয়েছিল। শেখ পরিবারের সদস্যদের প্রতি এমন অমানবিকতায় যারা খুশিতে হাততালি দিত; সেই আদর্শহীন, মুজিববাদ বিদ্বেষী, দেশবিরোধী, সুবিধাভোগী চক্রের কেউ কেউ এখন আওয়ামীলীগের সুদিনে নব্য আওয়ামীলীগ সেজে শেখ পরিবারের সুদৃষ্টির আশায় ঘুরঘুর করে! ঐ দলে নতুন প্রজন্মের কিছু সেল্ফীবাজ, আদর্শহীন, সুবিধাভোগী ও আছে। পরিচ্ছন্ন ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় এরাই বড় অন্তরায়। এদের দিকে সুদৃষ্টি নয়, এদের জন্য মানবিকতা নয়, বরং এদেরকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে শতভাগ পরিচ্ছন্ন এবং আদর্শিক পরীক্ষিত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মসৃণ পথে এগিয়ে যাবে মানবিকতার বাতিঘর শেখ পরিবার এমনটিই আশা মুজিববাদী ত্যাগী কর্মীদের।