মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমুদ্র সম্পদ আহরণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন : মেয়র

0
421

বিজ্ঞপ্তি: এ্যওসেড ও কোস্ট ট্রাস্ট এর যৌথ উদ্যেগে (২৩ অক্টোবর) হোটেল ওয়ের্স্টন ইন খুলনায় ‘জলবায়ু পরিবর্তনে উপকূলীয় অঞ্চলের বিপদাপন্ন মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক উপোরক্ত উক্তিটি করেন তিনি আরো বলেন বর্তমান সরকার মৎস্যজীবীদের উন্নয়নের জন্য প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করছেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপবন সংরক্ষক, খুলনা বিভাগের জনাব মো: কবীর হোসেন পাটোয়ারি , মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক জনাব মো: শাহজাহান আলী, সমাজসেবা অধিদপ্তর, খুলনার উপপরিচালক জনাব খান মোতাহার হোসেন। সেমিনারে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও ভূক্তভোগী সমুদ্রগামী মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিগণসহ মোট ৪০ জন উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার পেপার উপস্থাপন করেন এ্যাওসেড‘র নির্বাহী পরিচালক শামীম আরফীন ও সঞ্চলনা করেন থুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ।
সেমিনারে খুলনা সার্কেলের উপ-বন কর্মকর্তা মো: কবীর হোসেন পাটোয়ারী সাগরে মাছ ধরার অনুমোদনের জন্য জেলেদের বিএলসি পাশ পারমিটের কথা বলেন। আঞ্চলিক তথ্য অফিস খুলনার পরিচালক জাভেদ ইকবাল সমুদ্রগামী জেলেদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। সমাজসেবা অধিদপ্তর, খুলনার উপপরিচালক জনাব খান মোতাহার হোসেন সমুদ্রগামী জেলেদেরকে সরকারের নিরাপত্তা বেস্টনীর সুযোগ সুবিধা আওতাভুক্ত করার সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।

 

পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম খান বলেন সমুদ্রগামী জেলেরা বছরে ছয় মাসবেকার থাখে এই সময় বিকল্প জীবনযাত্রা পরিচালনার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। সেমিনারে বক্তাদের আলোচনায় নি¤েœাক্ত সুপারিশগুলি উঠে এসেছে। সমুদ্রগামী জেলেদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর সহ অনান্য সকল সরকারী বিভাগসমুহের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহন অতীব জরুরী সমুদ্রগামী জেলেদের সরকারীভাবে পৃথক পরিচয়পত্র প্রদান ও অনগ্রসর জেলেদের উন্নয়নের মূল ধারার সাথে সম্পৃক্ত করা সমুদ্রগামী জেলেদের সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ, সাধারন বীমা ও জীবনবীমায় অন্তর্ভূক্ত করা এবং মাছ ধরার নিষিদ্ধ মৌসুমে তাদেরকে বিশেষভাবে ”সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনা আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সমুদ্রের আগাম আবহাওয়া সংবাদ জেলেদের কাছে পৌঁছানো এবং নিরাপত্তা সরঞ্জামাদী ব্যবহারে তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহন করা সমুদ্রের নিকটবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে দুর্যোগকালীন সময়ে জেলেদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল স্থাপন করা ও মাছ ধরাকালীন সময়ে তাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের আশু ব্যবস্থা গ্রহন করা প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত কারনে সমুদ্রগামী জেলেরা সাগরে নিখোঁজ অথবা পাশর্^বর্তী দেশের নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক ধৃত হলে তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য আইনী সহায়তা প্রদানের যথাযথ ব্যবস্থা করা