মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ

0
377

সাইমুম মোর্শেদঃ মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল সকাল থেকেই বন্ধ হওয়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র জানজট ও যাত্রীদের ভোগান্তি।তীব্র স্রোত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে পদ্মা উত্তাল হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সারজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বৃহঃবার (৬ সেপ্টেম্ব)  মাওয়া লঞ্চঘাটে কোন লঞ্চ ছেড়ে না যাওয়ায় হাজার হাজার যাত্রী ফেরীতে অবস্থান নিলে শুরু হয় জনদূর্ভোগ।দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৩ জেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম মাওয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুট।এদিকে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ঘাট এলাকায় যানবাহনের লাইন দীর্ঘ হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ সহ একাধিক সুত্র জানায়,গত কয়েকদিন ধরে পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি পেয়ে চরজানাজাত পার থেকে মাওয়া ঘাট সংলগ্ন নদী পর্যন্ত তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে।

ঢাকা থেকে ২৩ জেলায় পৌঁছানোর অন্যতম এই করিডোরে মাওয়া, পাটুরিয়‍া ফেরিঘাটের হাজার হাজার মানুষের এই দুর্দশা দেখার যেনো কেউ নেই।

হাইওয়ে পুলিশের মাওয়ায় কর্মরত একজন ট্রাফিক ইন্সেপেক্টর জানান, একদিকে ফেরির স্বল্পতা অপরদিকে অতিরিক্ত যানবাহনের যাত্রীদের চাপের কারণে মাওয়া প্রান্তের ৩টি ঘাটেই সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের। আর এই পথে ভিআইপি দের চাপ বেশী।কেউ সরকারি কর্মকর্তা, কেউ এমপি-মন্ত্রীর লোক,কেউ শ্রমিক নেতার লোক।তবে কোন লোক পারাপারের সুযোগ পাচ্ছেন না।সকলে ফেরীতে ওঠার ব্যার্থ চেষ্টা চালাচ্ছেন।ভিআইপিদের গাড়ি পারাপারে জন্য ফেরীতে উঠতে প্রাধান্য পাচ্ছে। ফলে সাধারণ বাস, প্রাইভেট কার পারাপারের জন্য ফেরীতে উঠতে না পারায়,সাধারণ যাত্রীরা ভীড় করছে।একারনে মানুষের যানজট বাড়ছে।

মোঃখাইরুল ইসলাম নামের গনপূর্ত বিভাগের একজন সরকারী কর্মকর্তা জানান, সকাল থেকেই তীব্র জানজট উপেক্ষা করে শাহ মোঃ এনায়েতপূরী ফেরীতে উঠলাম।তবে কর্তৃপক্ষ গ্রীন সিগনাল না দেওয়ায় ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে এই চরম ভোগান্তি কখন দূর হবে তার কোন নিশ্চয়তা নাই।তবে কর্তৃপক্ষের অবহেলা লক্ষনীয়। এই রকম নৈরাজ্য দূর করার জন্য প্রশাসনের কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়জন।