ভৈরব নদী থেকে উদ্ধার গলাকাটা লাশ সেনপাড়ার জনি ফরাজীর

0
720

যোগিপোল প্রতিনিধি:
খুলনার দৌলতপুর বিএল কলেজের পিছনে ভৈরব নদীর তরফদার ঘাট থেকে উদ্ধার অজ্ঞাত লাশ হিসাবে দাফন করা লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। হতভাগা যুবক নগরীর দৌলতপুর থানাধীন মীরেরডাঙ্গা সেনপাড়ার আবু সুফিয়ান কলোনীর মোস্তফা ফরাজীর পুত্র ট্রাক হেলপার জনি ফরাজী(১৮)। মোবাইল চুরি এবং মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে এলাবাসী জানিয়েছেন। এই ঘটনায় দৌলতপুর থানা পুলিশ লিমন (১৮)কে আটক করেছে।
সে গত ২৯ আগস্ট রাতে বাসা থেকে নিখোঁজ হয়। ৩১ আগস্ট শনিবার দুপুরে ভৈরব নদীর বিএল কলেজ সংলগ্ন তরফদার ঘাট থেকে লাশ অজ্ঞাত পরিচয়ে উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে গোয়ালখালিতে দাফন করা হয়। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেনপাড়া এলাকায় খবর নিয়ে জানতে পারে সে এই এলাকার মোস্তফা ফরাজীর পুত্র। পরে নিহতের পরিবার তার পরনের কাপড় এবং পায়ের আঙ্গুল বিবরণে নিশ্চিত হয়ে গোয়ালখালি কবরস্থান থেকে গতকাল রবিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে উঠিয়ে বাসায় নিয়ে আসলে কলোনী বাসী এবং নিহতের স্বজনদের আহাজারীতে বাতাশ ভারী হয়ে উঠে। এ সময় কলোনী বাসী হত্যার সাথে জড়িতদের নাম উল্লেখ করে তাদের ফাসির দাবীতে ¯েøাগান দিতে থাকে। নিহতের বড় ভাই রনি ফরাজী জানান, তার ভাইকে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় বাসা থেকে এলাকার রেখার পুত্র লিমন(১৮) ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ হয়। পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারি নদীতে একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য এবং পরনের কাপড় দেখে নিশ্চিত হয়ে আমরা নিশ্চিত হয়ে গোয়ালখালি কবরস্থান থেকে আমার ভাইয়ের লাশ তুলে আনি। তিনি বলেন আমার ভাইকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে তার বন্ধু রোকা মিয়ার পুত্র পারভেজ(১৮)সহ সঙ্গিরা ভৈরব নদীর সিএসডি নদী সংলগ্ন নির্ঝন এলাকায় নিয়ে গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে তার লাশ নদীতে ফেলে দেয়। এলাকার একাধিক সুত্র জানায় সিএসডি’র একটি মোবাইল চুরি এবং মাদক সংক্রান্ত ঘটনার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
দৌলতপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোস্তাক আহম্মেদ জানান, প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার পরিচয় সনাক্ত করা হয়। এই ঘটনায় একজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের কথা স্বিকার করে বলেন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে তদন্ত এবং আসামীদের আটকের স্বার্থে এই মুহুর্তে কিছু বলা যাচ্ছেনা।