ভাইরাল হল সানিয়া মির্জার ছেলের ছবি

0
558

হাসপাতাল থেকে ছেলেকে কোলে নিয়ে বেরিয়ে আসছেন সানিয়া মির্জা।
চলতি সপ্তাহের গোড়ায় মা হয়েছিলেন টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। কিন্তু ছেলের ছবি প্রকাশ্যে আসেনি। শুক্রবার ছেলেকে নিয়ে হাসপাতাল ছাড়ার সময় সানিয়ার ছবি ঝড় তুলল সোশ্যাল মিডিয়ায়। হয়ে উঠল ভাইরাল।
সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে তোয়ালে জড়িয়ে সদ্যজাত সন্তানকে কোলে করে নিয়ে যাচ্ছেন সানিয়া মির্জা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি দেখে প্রচুর মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছেন ছয়বারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম বিজয়ীকে।
শোয়েব মালিক ও সানিয়া মির্জা ছেলের নাম রেখেছেন ইজহান। উর্দুতে য়ার মানে ভগবানের উপহার। আগেই সানিয়া জানিয়েছিলেন, ছেলের পদবি শুধু মালিক হবে না। বরং পদবি হবে মির্জা মালিক। সেই মতো সদ্যজাতর নাম দাঁড়াচ্ছে ইজহান মির্জা মালিক। গত ৩০ অক্টোবর সকালে পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক শোয়েব মালিক টুইটের মাধ্যমে সানিয়ার মা হওযার খবর জানিয়েছিলেন।
আরো পড়ুন : কেন মালিককে বিয়ে করেছেন সানিয়া : জানালেন নিজেই
ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা ২০১০ সালে যখন পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে বিয়ে করেন তখন অনেক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু এ জুটি তাতে কোনো প্রকার কান দেননি এবং দীর্ঘ আট বছর যাবত একসাথে সুখেই আছেন এ জুটি। আগামী অক্টোবরে তাদের প্রথম সন্তান ভুমিষ্ঠ হতে যাচ্ছে । যে কারণে বর্তমানে খেলার বাইরে আছেন সানিয়া। যাই হোক সম্প্রতি তিনি মুখ খুলেছেন নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়া, বিয়ে নিয়ে এবং দুই দেশকে একত্রিত করতে পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে বিয়ে করনেনি বলে জানিয়েছেন।
বিয়ের পর থেকে উভয় খেলোয়াড়ই তাদের নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। গত বছর ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স লীগের শিরোপা জয়ে পাকিস্তান দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন মালিক। পক্ষান্তরে ভারতকে ছয়টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম দ্বৈতের শিরোপা এনে দিয়েছেন সানিয়া।

হিন্দুস্থান টাইমসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সানিয়া বলেন, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি শোয়েব মালিককে বিয়ে করেননি। তবে তিনি পাকিস্তানের কাছ থেকে ভালোবাসা পাওয়ার কথাও স্বীকার করেন এবং ভক্তরা তাকে ‘ভাবী’ বলে সম্বোধন করেন।
তিনি বলেন, ‘এখানে অনেকেরই ধারণা ছিল যে, দুই দেশকে একত্রিত করতে আমি এবং শোয়েব বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি। এটা সত্যি নয় । যখনই আমি পাকিস্তানে যাই তখনই আমি শ্বশুর-শ্বাশুরির সঙ্গে দেখা করি। সেখানকার জনগণের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। পুরো দেশের জনগণ আমাকে ‘ভাবী’ বলে সম্বোধন করেন এবং যথেষ্ট সম্মান করেন।
তাদের সন্তান ভারত না পাকিস্তানের নাগরিক হবে- বিতর্কের বিষয়ে সানিয়া বলেন, তিনি এবং শোয়েব এ ধরনের মন্তব্যে কান দেবেন না।
সানিয়া আরো বলেন, ‘তকমা (ট্যাগ) বহু পরিচিত হওয়ার একটি অংশ। আমি খেলি আমার দেশ, আমার পরিবার এবং আমার নিজের জন্য এবং আমার স্বামীও খেলেন তার দেশ, পরিবার ও নিজের জন্য। আমাদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে আমরা ওয়াকেফহাল। তবে এ ধরনের তকমাকে আমি গুরুত্ব দেই না। এ জন্য হয়তোবা ভালো একটা শিরোনাম হওয়া যায়। তবে দেশের মাটিতে এর কোনো মানে হয় না।’ তথ্য: নয়াদিগন্ত