ভদ্রা নদী খননে কৃষকের উপকার হবে সর্বাধীক: মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র

0
406

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি, খুলনাটাইমস:
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি বলেন, ভদ্রা নদী খনন হলে সবচেয়ে উপকার হবে এ অঞ্চলের কৃষকদের। তাদের বিশেষ করে বোরো আবাদ করতে খুবই সহজ হবে। কৃষকরা সরাসরি নদী থেকেই পানি তুলে জমি চাষাবাদ করতে পারবে। এতে খরচের দিক দিয়েও যেমন সাশ্রয় হবে, তেমনি উৎপাদনও বেশি হবে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে আর জলাবদ্ধতা হবেনা।
‘শেখ হাসিনার অবদান, ভদ্রা নদী খনন দৃশ্যমান’ এই শ্লোগানকে অনুসরণ করে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন কৃষি বান্ধব সরকার। তাইতো তিনি জলাবদ্ধতা কথা চিন্তা করে এবং কৃষকের জমিতে সোনার ফসল ফলাতে ডুমুরিয়ার মানুষের জন্যে এমনটি উদ্যোগ গ্রহন করেন। এক কথায় ভদ্রা নদী খনন হলে সবচেয়ে বেশি উপকার হবে এ অঞ্চলের কৃষকের।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া ও শোভনা এলাকায় ভদ্রা নদী খনন কাজ পরিদর্শনকালে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময়ে তিনি ৭ কোটি ৩ লাখ টাকা বরাদ্দের শোভনা তেলিগাতি হতে ডুমুরিয়া সদর পর্যন্ত সড়কে কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়নের কাজ পরিদর্শন করেন।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান অভিজিত চন্দ, খর্ণিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল হোসেন দিদার, শোভনা ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত বৈদ্য, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিল হোসেন, আ’লীগ নেতা মনিন্দ্রনাথ মল্লিক, যুবলীগ নেতা প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ, মেহেদী হাসান বিপ্লব, শেখ ওহিদুজ্জামান লিপু, অরিন্দম মল্লিক প্রমুখ। বিকালে মন্ত্রী তার বাসবভনে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের গরীব শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মোঃ সজীব আহমেদ খান, ভান্ডারপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান হিমাংশু বিশ্বাস, আ’লীগ নেতা খান আবু বক্কার, খান নজরুল ইসলাম, কাজী নুরুল ইসলাম, মোল্যা আকরাম হোসেন, অদিত্য মন্ডল, বিয়াম স্কুলের অধ্যক্ষ সরদার আবু সাঈদ, শিক্ষক রবিউল ইসলাম লাবু, প্রভাষ বর্ধন, সাবেক ছাত্রনেতা কাজী মেহেদী হাসান রাজা প্রমুখ।#