বেগম জিয়াকে কারামুক্ত করেই জনস্রোত ঘরে ফিরবে : বর্ষিয়ান নেতা দাদু ভাই

0
842

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
খুলনায় অনুষ্ঠিত স্মরণকালের বৃহত্তম অনশন কর্মসূচিতে দাড়িয়ে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য, বর্ষিয়ান জননেতা ও ভাষা সৈনিক এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারারুদ্ধ করায় জনগনের আন্দোলন আরো জোরদার হয়েছে। এ আন্দোলন আরো দীর্ঘায়িত হবে, রাজপথে জনতার ঢল নামবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা সম্পর্কে শেখ হাসিনার কোন ধারণাই নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারাবন্দি নেত্রী আজ ১৬ কোটি জনগনের ভালোবাসা ও আবেগের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন। বেগম জিয়াকে কারামুক্ত করার দাবিতে নতুন কর্মসূচি আসবে ঘোষণা করে বর্ষিয়ান এই নেতা বলেন, তাকে কারামুক্ত না করা পর্যন্ত জনতার এই ¯্রােত রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরে যাবেনা।
বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা বানোয়াট ভিত্তিহীন মামলায় কারাদন্ড দেয়ার প্রতিবাদে কেন্দ্র ঘোষিত তিন দিনের কর্মসূচির তৃতীয় দিনে বুধবার খুলনায় মহানগর বিএনপির উদ্যোগে পালিত দিনব্যাপি অনশন কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সকাল ৯ টায় নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনের চত্বরে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি চলে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। নগরীর সকল থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি, মুর্হুমুর্হুর গগনবিদারী শ্লোগান, আর কর্মসূচির প্রতি সম্পূর্ণ একাত্মতা এক ভিন্ন রকম পরিবেশের সৃষ্টি করে। শতাধিক মহিলা কর্মী দিনব্যাপি সুদীর্ঘ ৮ ঘন্টার এই কর্মসূচিতে সরব অংশ নেন।
তবে খুলনা সদর থানা পুলিশ মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে অনশন কর্মসূচির জন্য মঞ্চ তৈরির উদ্যোগ নিলে অভিযান চালিয়ে টেবিল, চেয়ার, বাঁশ, খুটিসহ মঞ্চ বানানোর সকল উপকরণ তুলে নিয়ে যায়। সকাল থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য বিএনপি কার্যালয়ের সামনে মারমুখি অবস্থানে ছিলেন। এ নিয়ে কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। তবে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার কর্মী কর্মসূচিস্থলে হাজির হলে পুলিশ পিছু হঠতে বাধ্য হয়।
প্রায় আট ঘন্টার দীর্ঘ এ কর্মসূচিতে অর্ধশতাধিক দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও ২০ দলীয় জোটের শরীক দলের প্রধানবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য শেষে সভার সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং নগর সাধারণ সম্পাদক মেয়র মনিরুজ্জামান মনিকে শরবত পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করার এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, নয় বছরের দুঃশাসনকে আরো দীর্ঘায়িত করতে শেখ হাসিনার ইচ্ছায় আদালত সাজানো পাতানো বানোয়াট মামলায় খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠিয়েছে। ১৬ কোটি মানুষ এ রায়ে মর্মাহত, হতাশ, ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সরকার আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সাজানো পাতানো ভোট করতে চায়। সে চেষ্টা করা হলে পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে বক্তারা হুশিয়ার করেন। তারা বলেন, কারাবন্দি খালেদা জিয়া এখন মাদার অব ডেমোক্রেসির মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েছেন। সমগ্র বাংলাদেশ আজ তার পাশে। শেখ হাসিনাকে প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার আহবান জানিয়ে তারা বলেন, সবাইকেই একদিন বিদায় নিতে হবে। জীবদ্দশায় এমন কিছু করে যান যেন মৃত্যুর পরে জনগন আপনার জন্য শোক প্রকাশ করার সুযোগ পায়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন কেসিসির মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, খেল াফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর আলহাজ মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক এমপি কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সাবেক এমপি শেখ মুজিবর রহমান, বিজেপি সভাপতি এ্যাড. লতিফুর রহমান লাবু, জাগপা সভাপতি সালাহউদ্দিন মিঠু, জেপি (জাফর) মহানগর সভাপতি মোস্তফা কামাল, বিএনপি নেতা মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, মোল্লা আবুল কাশেম, বিজেপির মহানগর সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন সেন্টু, মুসলিম লীগের মহানগর সাধারণ সম্পাদক আক্তার জাহান রুকু, খেলাফত মজলিসের মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নাসিরউদ্দিন, বিএনপি নেতা শাহজালাল বাবলু, শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, স ম আব্দুর রহমান, রেহানা আক্তার, শেখ ইকবাল হোসেন, ফখরুল আলম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, শেখ হাফিজুর রহমান, মহিবুজ্জামান কচি, শফিকুল আলম তুহিন, শাহিনুল ইসলাম পাখী, তরিকুল ইসলাম জহির, শের আলম সান্টু, ইকবাল হোসেন খোকন, সর্বদলীয় আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব এ্যাড. এস আর ফারুক, বারের সাবেক সভাপতি এ্যাড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু ও এ্যাড. মাসুদ হোসেন রনি, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. গোলাম মাওলা, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাশনালিষ্ট টিচার এ্যাসোসিয়েশনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান, অধ্যাপক মোঃ খসরুল আলম, শরীফ মোহাম্মদ খান, বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য ও আমার দেশের ব্যুরো প্রধান এহতেশামুল হক শাওন, বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান সবুজ, মুজিবর রহমান, আজিজুল হাসান দুলু, আজিজা খানম এলিজা, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, মাসুদ পারভেজ বাবু, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল হক হেলাল, কে এম হুমায়ুন কবীর, হাসানুর রশিদ মিরাজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, কামরান হাসান, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, জহর মীর, অধ্যাপক অহেদুজ্জামান, তরিকুল্লাহ খান, হাসান মেহেদী রিজভী, বদরুল আনাম, আবুল কালাম শিকদার, শমসের আলী মিন্টু, হাফিজুর রহমান মনি, আফসারউদ্দিন মাস্টার, শেখ ফারুক হোসেন, হাসানউল্লাহ বুলবুল, এইচ এম এ সালেক, শেখ জামালউদ্দিন, শেখ জামিরুল ইসলাম, কবির হোসেন, ওয়াহিদুর রহমান দীপু, এ্যাড. শেখ মোঃ আলী বাবু, মুজিবর রহমান ফয়েজ, মোঃ সাইফুল ইসলাম, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ শেখ, হাবিব বিশ্বাস, আশরাফ হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, গাউস হোসেন, শরীফুল আনাম, মতলেবুর রহমান মিতুল, মীর কবির হোসেন, শাহাবুদ্দিন মন্টু, নাসির খান, মেজবাহউদ্দিন মিজু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আব্দুল আলীম, মহিউদ্দিন টারজান, রবিউল ইসলাম রবি, মোস্তফা কামাল, বাচ্চু মীর, বাবু মোড়ল, অহিদুজ্জামান অহিদ, সরদার ইউনুস আলী, লিটন খান, আব্দুল জব্বার, জাহিদ কামাল টিটো, মিজানুর রহমান খোকন, কাজী নেহিবুল হাসান নেহিম, জি এম রফিকুল হাসান, এইচ এম আসলাম, আলমগীর হোসেন, আব্দুল মতিন, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, ইমতিয়াজ আলম বাবু, মিজানুর রহমান খোকন, তরিকুল ইসলাম, আনসার আলী, আরমান হোসেন, জাহিদুর রহমান রিপন, আব্দুর রহমান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, মাওলানা আব্দুল গফফার, গাজী সোয়েবউদ্দিন মিন্টু, মোহাম্মদ আলী, মুন্নি জামান, কওসারী জাহান মঞ্জু, লায়লা আরজুমান, রবিউল ইসলাম রুবেল, রিয়াজ শাহেদ, মিজানুর রহমান, মুরাদ মিনা, আসাদুজ্জামান আসাদ, নুরে আব্দুল্লাহ, আলমগীর হোসেন, সিরাজুল ইসলাম মানিক প্রমুখ। #