বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ

0
1431

সারা বিশ্বে আজ শুক্রবার ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ পালন করা হচ্ছে। ইউনেসকো এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘শিক্ষার অধিকার মানে হচ্ছে, যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষক পাওয়ার অধিকার’। এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সব মানুষকে এটাই বলা হচ্ছে যে শিক্ষার অধিকার প্রশিক্ষিত এবং যোগ্য শিক্ষক পাওয়ার অধিকার ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। বিশ্বের সব শিক্ষকের অবদানকে স্মরণ করার জন্য ইউনেসকোর ডাকে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস।

শিক্ষকেরা হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পালন করা হয়। এ বছর সংস্থাটির সদস্যভুক্ত ১০০ দেশে ৪০১টি শিক্ষক সংগঠন দিবসটি উদ্‌যাপন করছে।
বিশ্বের সব শিক্ষকের অবদানকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা ইউনেসকোর ডাকে এ দিবসটি পালন হয়ে থাকে। ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস।

ইউনেসকো বলছে, বিশ্বে বর্তমানে ২৬ কোটি ৪০ লাখ শিশু বিদ্যালয়ের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বজনীন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার লক্ষ্যে পৌঁছাতে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭ কোটি নতুন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজন। মেয়েশিশু, প্রতিবন্ধী, শরণার্থী ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের ব্যবধান অনেক বেশি। এই ব্যবধান দূর করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে—এমনটাই মনে করে ইউনেসকো।
১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম অনুষ্ঠানে ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথমবার দিবসটি পালন করা হয়। তবে ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিভিন্ন দেশে শিক্ষকরা মোটা দাগে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপন শুরু করেন। ইউনেস্কোর অনুমোদনে প্রতিবছর পৃথক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

ইউনেস্কোর মতে, শিক্ষা ও উন্নয়নে শিক্ষকরা বিশেষ ভূমিকা রাখছেন। মানুষের মধ্যে সচেতনতা, উপলব্ধি সৃষ্টি ও শিক্ষকদের ভূমিকার স্বীকৃতিস্মারক হিসেবে দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ। মানবিক বিপর্যয় বা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটে আক্রান্ত হয়েও সামাজিক, অর্থনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিনির্মাণে শিক্ষকরা তাদের ভূমিকা রেখে চলেছেন।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রাসহ নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।