বিরোধী মত দমন থেকে বিরত হোন : পুলিশের প্রতি বিএনপির আহবান

0
340

বিজ্ঞপ্তি: মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটক সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাগরের মুক্তির দাবি সম্বলিত পোস্টার লাগানোর সময় গত ৩ জুন সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ বিএনপি কর্মী হাসান মোল্লা এবং দ্বীন ইসলামকে গ্রেফতার করে। পরদিন সকালে ভিন্ন একটি রাজনৈতিক দলের পেন্ডিং মামলায় তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করে। খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ এ ধরনের ন্যাক্কারজনক গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা বিষ্ময়ের সাথে লক্ষ্য করছে যে, সদ্র সমাপ্ত সিটি নির্বাচন চলাকালনি সময় ভোট ডাকাতির প্রস্ততি নিশ্চিত করতে দুই সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়ার প্রায় ২০০ নেতাকর্মী এখনও কারাগারে। পবিত্র রমজান মাসে যেখানে বিশ্বের অনেক দেশ যুদ্ধ বিগ্রহ সাময়িকভাবে বন্ধ/স্থগিত রাখার নজির আছে, সেখানে বাংলাদেশ সরকারের আজ্ঞাবহ পুলিশ গণগ্রেফতারের এক অমানবিক প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রেখেছে।
বিএনপি নেতৃবৃন্দ সরকার ও পুলিশের কাছে জানতে চান, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ কিনা কিংবা এটা কোন ফৌজদারী অপরাধ কিনা? সংবিধান সম্মত অধিকার বাস্তবায়নে বিএনপির প্রতি কোন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে কিনা? বিএনপি কি কোন নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল যে, তার প্রচার প্রচারণা, সভা সমাবেশ মিছিলে অংশগ্রহণ কি বেআইনী বা অপরাধ কিনা?
সোনাডাঙ্গায় ভোট ডাকাতির নির্বাচনে ঘোণিত একজন কাউন্সিলরের নির্দেশনায় এ দুজন বিএনপি কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাহলে কি ধরে নিতে হবে থানা পুলিশ এখন থেকে ভোটডাকাত লুটেরাদের হুকুমে পরিচালিত হবে।
বিবৃতিতে বিএনপি নেতারা পবিত্র রমজান মাসকে শ্রদ্ধা করে হলেও বিরোধী দল দমনে এধরনের হীন গ্রেফতারি অভিযান বন্ধ, আটক নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি, আওয়ামী দুবৃর্ত্তদের লাগাম টেনে ধরার দাবি জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য এম নূরুল ইসলাম দাদুভাই, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও কেসিসি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মুশাররফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সিরাজুল ইসলাম মেঝোভাই, স ম আব্দুর রহমান, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, ফকরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ প্রমুখ।