বাংলাদেশে সর্ব প্রথম উচ্চতর সিসি বাজাজ পালসার এন২৫০ উদ্ভোধন করল উত্তরা মোটর্স

0
141
ঢাকা অফিসঃ
রাজধানী ঢাকায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে উত্তরা মোটর্স ও বাজাজ অটো বাংলাদেশে সর্ব প্রথম গ্রাউন্ডব্রেকিং উচ্চতর সিসি বাজাজ পালসার এন২৫০ মোটরসাইকেল এর শুভ উদ্ভোধন করেন, যা দেশের মোটরসাইকেল প্রেমীদের পছন্দের জায়গা হিসেবে তার স্থানকে মজবুত করেছে। বাজাজ পালসার এন২৫০-এর আগমন  বাংলাদেশের তরুনদের এবং মোটরসাইকেল প্রেমিদের বিবর্তনের প্রতিফলন করে,  যারা সত্যিকার অর্থে স্পোর্র্টি মোটরসাইকেল খুঁজছে এবং শহরের দৈনন্দিন পরিস্থিতিতে এটি চালানোর উপযোগী হিসাবে চিন্তা করছে তাদের নিকট বাজাজ পালসার এন২৫০ একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।
বাজাজ পালসার এন২৫০ এর হৃদয় একটি শক্তিশালী ২৫০সিসি ইঞ্জিনের সাথে গর্জন এর সহিত রাইডারদেরকে একটি এড্রেনালিন-পাম্পিং এবং শক্তিশালী রাইড অফার করে । উন্নত প্রযুক্তির মিশ্রণ এই শ্রেনীতে  নতুন মান স্থাপন করে। বাজাজ পালসার এন২৫০ একটি শক্তিশালী এবং স্মার্ট লুকিং ২৫০সিসি ওয়েল কুল্ড ইঞ্জিন, একটি অ্যাসিস্ট এবং স্লিপার ক্লাচ, একটি এলইডি প্রজেক্টর হেডল্যাম্প, ইনফিনিটি ডিসপ্লে, স্টাইলিশ এক্সহোস্ট সহ থ্রোটিয়ার নোট, মনোশক সাসপেনশন, টিউবলেস টায়ার এবং একটি স্ট্রিট ফাইটার প্রযুক্তিতে লোড করা হয়েছে যা একটি সত্যিকারের স্পোর্টস বাইক। ইঞ্জিনটি ২৪.৫ পিএস পাওয়ার এবং ২১.৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে। হাইড্রোলিকভাবে পরিচালিত ডুয়েল চ্যানেল অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (অইঝ) এর সামনে একটি ৩০০এমএম ডিস্ক এবং পিছনে একটি ২৩০এমএম ডিস্ক রয়েছে। ট্যাঙ্কটি ১৪ লিটার জ্বালানী ধারণ করে, এটি দীর্ঘ যাত্রার জন্য একটি আদর্শ যান। পালসার এন২৫০-তে একটি টঝই চার্জিং রয়েছে যা ট্যাঙ্কের ফ্ল্যাপের কাছে সংযুক্ত। পালসার এন২৫০ সম্পর্কে আরও জানতে পালসার বাংলাদেশ ফেসবুক পেজ দেখুন।
দুই দশক আগে শুরু থেকেই বাজাজ পালসার সারা বিশ্বে স্পোর্টস মোটরসাইকেল এর পথ প্রদর্শক। দীর্ঘ ২০ বছর পরে, এই সেগমেন্টের উন্নতির সাক্ষী হিসাবে পালসার ব্যাজটি আজ স্পোর্টস বাইকিং এর সমার্থক হয়ে উঠেছে। সম্পূর্ণ নতুন পালসার ঘ২৫০ উদ্ভোধন করার সাথে সাথে, বাংলাদেশে আবারও স্পোর্টস বাইক এর বিবর্তন ঘটেছে যা বাংলাদেশে মাইলফলক।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় মহামান্য হাইকমিশনার জনাব প্রণয় ভার্মা, উত্তরা মোর্টস লিমিটেডের চেয়রম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মতিউর রহমানের সাথে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের হেড অব বিজনেস প্ল্যানিং জনাব নাঈমুর রহমান, বাজাজ অটো ভারতের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, বিভাগীয় ব্যবস্থাপক জনাব সামীর মারদিকার, বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তা, উত্তরা মোটর্স লিমিটেডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং শুভানুধ্যায়ীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ভারতীয় হাইকমিশনার, প্রণয় ভার্মা উত্তরা মোটর্স এবং বাজাজ অটো লিমিটেডকে বাংলাদেশে বাজাজ পালসার এন২৫০ মোটরসাইকেল উদ্ভোধন করার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন । যা অটোমোবাইল খাতে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ের প্রেরনা প্রদান, শিল্পের বিকাশ এবং অংশীদারিত্বের অগ্রাধিকারকে আরও গতিশীল করবে। হাইকমিশনার জোর দিয়ে বলেন যে বাংলাদেশের সাথে কর্মদক্ষতা, ভৌগোলিক নৈকট্য এবং উন্নত মাল্টিমোডাল সংযোগের কারণে, বাংলাদেশের অটোমোবাইল খাতে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ভারতীয় শিল্পের নতুন অংশীদারিত¦ একটি আদর্শ অবস্থানে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশে ভারতীয় অটোমোবাইল শিল্পের প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলির শক্তিশালী উপস্থিতির ফলে
উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থান এবং রাজস্ব আহরনে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। পারস্পরিক পরিপূরকতার প্রতিফলন যা আমাদের উভয় দেশের পারস্পরিক প্রবৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
 মতিউর রহমান বলেন, “দুই দশক আগে, বাজাজ অটো এবং উত্তরা মোটর্স প্রথম পালসার লঞ্চ করেছিল এবং বাংলাদেশে মোটরসাইকেল জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিল। তারপর থেকে, পালসার সফলতার সহিত নতুন মানদ- স্থাপন করেছে এবং বাংলাদেশে উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলের চাহিদা দ্রুত গতিতে বাড়ছে।  রহমান বাংলাদেশের রাস্তায় বিশেষ করে ৩৭৫ সিসি উচ্চতর ক্ষমতার ইঞ্জিন সম্পন্ন মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রশংসা করেন। এই সিদ্ধান্ত দেশের পরিবহন জগতে একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। উত্তরা মোটর্স  মোটরসাইকেল ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বাজাজ মোটরসাইকেল সরবরাহ করে । তিনি নিশ্চিত ভাবে বলেন যারা স্পোর্টস বাইকের পাওয়ার-প্যাকড পারফরম্যান্স খোঁজে বাজাজ পালসার ঘ২৫০ তাদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ করবে। এটি পুলিশ প্রসাশন, র‌্যাব প্রশাসন এবং অন্যান্য সরকারী প্রতিষ্ঠানের জন্যও উপযোগী হবে।