বাঁধাহীন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে চায় খুলনা বিএনপি

0
304

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, বিএনপি খুলনায় পুলিশী বাঁধাবিহীন শর্তবিহীন অবস্থায় সাংবিধানিক অধিকার পালন করতে চায়। সম্প্রতি ১ সেপ্টেম্বর দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর দিনে দলীয় নেতাকর্মী ও তাদের বহনকারী যানবাহন নিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ যে আচরণ করেছে ও ভূমিকা পালন করেছে তাকে অস্বাভাবিক ও রাজনৈতিক দলকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পদক্ষেপ বলে মনে করছেন তারা।
প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, রাজনীতি করা যদি একটি দলের সাংবিধানিক অধিকার হয়ে থাকে তাহলে পুলিশী অনুমতির প্রয়োজন কেন? তিনবার জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে দেশ পরিচালনা করা বিএনপি কি কোন সন্ত্রাসী দল? গত কয়েক দিন খুলনার কযেকটি থানা পুলিশের বেপারোয়া আচরনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আগের রাতে থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ, মহানগর যুবদল সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু ও সাবেক ছাত্রনেতা কামালের বাড়ীতে হয়রানিমূলক তল্লাশি চালায় কোন কারনে? ৩১ আগষ্ট রাতে একাধিক থানা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে পুলিশের অহেতুক হুইসের বাজানো এবং মুভি ক্যামেরায় ছবি তোলা, ১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে মহানগর বিএনপি অফিসের সামনে শত শত পুলিশের অবস্থান, সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বাড়ীর সামনে পিছনে হুইসেল বাজিয়ে পুলিশের গাড়ীর টহল, ঢাকায় র‌্যালীর অনুমতির বিষয়টি বারবার কেএমপিকে অবহিত করার পরও খুলনায় র‌্যালী করতে না দেবার সিদ্ধান্তে অটল থাকা খুলনা বিএনপির জন্য অসম্মান ও অমর্যাদার। এছাড়া বিএনপির যে কোন কর্মসূচিতে মুভি ক্যামেরা পাঠিয়ে ছবি তোলা, গোয়েন্দা নজরদারি করা পুলিশের কোন ধরনের দায়িত্ব ও কর্তব্যের অর্ন্তভূক্ত সে প্রশ্ন সবার?
বিবৃতিতে পুলিশ প্রশাসনকে সংবিধান প্রচলিত আইন মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান বিএনপি নেতারা। আর এর প্রতিবাদে বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল আলম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।