বরিশালে বিপণি বিতানকে ১০ টাকা হাজার জরিমানা

0
448

টাইমস্ ডেস্ক:

মঙ্গলবার অভিযানে নামে জেলা প্রশাসন। এ সময় বিপণি বিতানগুলোর মালিকরা পাইকারি বাজার থেকে পোশাক ক্রয়ের ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেননি। বরিশালে তৈরি পোশাক বিপণি বিতানগুলোতে একদরের নামে গলাকাটা দাম রাখার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ঈদসহ যেকোনো উৎসবকে কেন্দ্র করে বিপণি বিতানগুলোতে অতিরিক্ত দাম রাখার অভিযোগ রয়েছে।

ক্যাশ মেমো দেখাতে না পারায় নগরীর হেমায়েত উদ্দিন সড়কের বৈশাখী বিপণি বিতান মালিককে ১০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মালিকদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা কবিরের নেতৃত্বে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত হেমায়েত উদ্দিন সড়ক ও অভিজাত শপিংমল ফাতেমা সেন্টারে অভিযান চালানো হয়।

তৈরি পোশাক বিক্রির প্রতিষ্ঠান বৈশাখীতে মেয়েদের একটি গাউনের দাম উল্লেখ করা হয়েছে ১০ হাজার ৫০০ টাকা। জেলা প্রশাসনের অভিযানকারী দল ওই পোশাকটিসহ আরও কয়েকটি পোশাকের পাইকারি ক্রয়মূল্য দেখতে চান। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা ক্রয়মূল্য দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা কবির ওই প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

পাশাপাশি হেমায়েত উদ্দিন সড়কে নেক্সট প্লাস নামক প্রতিষ্ঠানটিতে একই অবস্থা দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। ফাতেমা সেন্টারের অভিজাত প্রতিষ্ঠান ‘চন্দ্রবিন্দু’ ‘রিচম্যান’ ও ‘ইনফেনেটি’ নামক প্রতিষ্ঠানগুলোতে গেলে তারা দাবি করেন এ প্রতিষ্ঠানগুলো ঢাকা থেকে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের শাখা। ক্যাশ মেমোসহ যাবতীয় কাগজপত্র ঢাকার প্রধান কার্যলয়ে আছে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা কবির জানান, প্রশাসনের নির্দেশ আছে পোশাক বিক্রির প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৩০ ভাগের বেশি মুনাফা করা যাবে না। বেশিরভাগ বিপণি বিতানগুলোতে এই নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ রয়েছে। প্রশাসন থেকে প্রথম অভিযানে নেমে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। ঈদের আগে আবারও অভিযানে নেমে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।