বঙ্গভবনে ডাক পেয়েছেন নারায়ণ–মোস্তফা জব্বা ও শাহজাহানসহ কয়েকজন

0
355

টাইমস প্রতিবেদন : বঙ্গভবনে ডাক পড়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ,বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি মোস্তফা জব্বা ও লক্ষ্মীপুরের সাংসদ শাহজাহান কামালের । আজ দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম তাঁদের ফোন করেন বলে জানা গেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তাদের বঙ্গভবনে থাকতে বলা হয়েছে।

তবে কেন তাঁদের বঙ্গভবনে থাকতে বলা হয়েছে সে ব্যাপারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে কিছু জানানো হয়নি। নারায়ণ চন্দ্র ও শাহজাহান কামাল দুজনেই প্রথম আলোকে বলেছেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব তাঁদের ফোনে করে বঙ্গভবনে থাকার কথা বলেছেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদটি শূন্য রয়েছে। এ দুজন ছাড়াও আরও কয়েকজনকে বঙ্গভবনে ডাকা হয়েছে।

সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তফা জব্বার ও রাজবাড়ির একজন সাংসদকেও ডাকা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদে রদবদলের লক্ষ্যে তাদের ডাকা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মোস্তফা জব্বার সাংসদ নন। তাঁকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী করা হতে পারে।

২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা টানা দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত সরকারে নতুন মুখ বা দপ্তর পরিবর্তন হয়েছে তিন দফা।

২০১৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এইচ মাহমুদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নজরুল ইসলামকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।

প্রায় দেড় বছর পর ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় যোগ হয় নতুন পাঁচ মুখ। প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হন একজন।

সেদিন আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি তার আগের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই দায়িত্ব পালন করছেন।

একই দিন মন্ত্রী হিসেবে আরও শপথ নেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারানা হালিম (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) এবং নুরুজ্জামান আহমেদ (খাদ্য)।

এরপর মন্ত্রিসভায় আরও একটি রদবদল হয়। সেটি চমকের তৈরি করে দেশজুড়ে। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে সৈয়দ আশরাফকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়। একই দিন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বদলে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। এক সপ্তাহ পর সৈয়দ আশরাফ পান তার নতুন মন্ত্রণালয় জনপ্রশাসন।