বঙ্গবন্ধুর ভাষণই বাঙালিকে স্বাধীনতা অর্জনে সাহস যুগিয়েছিলো : খুলনাসহ সারাদেশে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালন

0
552

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ:

আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে বাংলার মানুষ পাক হায়েনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছিলো। আর তার পূর্ণাঙ্গ পেয়েছিলো ২৫ শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মধ্যদিয়ে। বঙ্গবন্ধুর ২৫ মার্চের ঘোষণা ছিলো শুধু মাত্র আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। কিন্তু প্রকৃত ঘোষণা হয়েছিলো ৭ই মার্চে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দ বাঙ্গালিকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করেছিলো। বঙ্গবন্ধুর ভাষণই বাঙ্গালিকে সাহস যুগিয়েছিলো। আর সেই সাহস নিয়েই বাংলার আবাল বৃদ্ধ বণিতা শত্রæ বাহিনীর বিরুদ্ধে নিরস্ত্রাবস্থায় ঝাপিয়ে পড়েছিলো। বঙ্গবন্ধুর ভাষণই বাঙালিকে মাত্র ৯ মাসে স্বাধীনতা অর্জনে সাহস ও সমর্থ যুগিয়েছিলো। নেতৃবৃন্দ এই বাংলায় বার বার হামলা হয়েছে ; কিন্তু বাঙালি বীর সন্তানেরা প্রতিবারই সর্বশক্তি দিয়ে সেই সকল অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিহত করেছে। এই বাংলাকে সুরক্ষিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র রক্ষায় সকল ধরনের অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে।
বুধবার বিকাল ৫টায় দলীয় কার্যালয় চত্বরে মিছিল পূর্ব সমাবেশে এ সব কথা বলেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এমপির সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এমপি। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, এমডিএ বাবুল রানা, আবুল কালাম আজাদ কামাল, কামরুজ্জামান জামাল, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, লুৎফুন নেছা লুৎফা, হাজী মো. নুরুজ্জামান, রনজিত কুমার ঘোষ, শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, পারভেজ হাওলাদার, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, মো. ইমরান হোসেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় কমিটির সদস্য এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোল্লা জালাল উদ্দিন, কাজী এনায়েত হোসেন, এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, বেগ লিয়াকত আলী, বিএম সালাম, মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, এ্যাড. রজব আলী সরদার,
নুর ইসলাম বন্দ, মকবুল হোসেন মিন্টু, শ্যামল সিংহ রায়, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, শেখ ফজলুল হক, রফিকুর রহমান রিপন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, হালিমা ইসলাম, অধ্যা. আলমগীর কবীর, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, অধ্যা. মিজানুর রহমান, কামরুল ইসলাম বাবলু, হাফেজ মো. শামীম, এ্যাড. মো. শাহ আলম, ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, তসলিম আহমেদ আশা, জয়ন্তী রানী সরদার, আবুল কাশেম মোল্লা, এইচ এম তৌহিদ, জামিরুল হুদা জহর, আব্দুল হাই পলাশ, শেখ মো. ফারুক হোসেন, গাজী মোশাররফ হোসেন, গোপাল চন্দ্র সাহা, সাহেবুর রহমান পিটু মোল্লা, মো. শিহাব উদ্দিন, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মো. জাকির হোসেন হাওলাদার, টি এম আরিফ, আকবর আলী, রফিকুল ইসলাম পিটু, মো. রিয়াজ হোসেন, মো. রাজ্জাক হোসেন, সুলতান আহমেদ খান, জেসমিন সুলতানা, নুরজাহান রুমি, নূরীনা রহমান বিউটি, নিভানা পারভীন, মোতালেব মিয়া, মাকলুকার রহমান, অধ্যা. জুলফিক্কার আলী জুলু, সরদার জাকির হোসেন, মো. জামিল খান, বেগ আমিন, বিধান চন্দ্র রায়, তাপশ জোয়াদ্দার, আল আমিন লিটন, সোহেল খান, মশিউর রহমান সুমন, আসাদুজ্জামান সুমন, মাহমুদুল হাসান শাওন, সোহান হোসেন শাওন, মাহমুদুর রহমান রাজেশ, মো. রাজু হোসেন, আহনাফ অর্পন, তায়েব সিদ্দিকী, মশিউর রহমান বাদশা, চয়ন বালা, জনি বসু আশানুর ইসলাম, মামুনুর রহমান মামুন, রুম্মান আহমেদ, ইয়াসিন আরাফাতসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সভা পরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগ উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মফিদুল ইসলাম টুটুল।
এর আগে সকাল ৮টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান এঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়।

এদিকে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য দলিল হিসেবে জাতিসংঘের ইউনেস্কো স্বীকৃতি উপলক্ষ্যে খুলনাসহ সারাদেশে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালিত হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়:
বাঙ্গালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা অবিস্মরণীয় গৌরবের এক অনন্য দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য দলিল হিসেবে জাতিসংঘের ইউনেস্কো ঘোষণার প্রথম ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসে এক আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের অংশগ্রহণে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে হাদী চত্বর হয়ে পোস্ট অফিসের সামনে দিয়ে মেইন গেট হয়ে পুনরায় প্রশাসন ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে পরিষদের সভাপতি উপ-পরিচলাক শেখ মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র মন্ডলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ তারিকুজ্জামান লিপন, উপ-রেজিস্ট্রার মোহাঃ আলী আকবর, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, সেকশন অফিসার বিমান সাহা, সালাউদ্দিন সুকর্ন, মেডিকেল অফিসার ডাঃ শেখ সাইদ আফতাব, কর্মচারীদের পক্ষ থেকে অমিতাভ ঘোষ। বক্তারা বলেন ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি। এই ভাষণেই উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রস্তুতি নিয়ে ছিলো। এই ভাষণ কেবল বাংলাদেশেই নয় সারা বিশ্বে শোষিত, বঞ্চিত, মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। যত দিন বাংলার মাটি আর মানুষ থাকবে ততদিন বাঙালি জাতির হৃদয়ের মণিকোঠায় জাতির জনক চিরদিন অক্ষয় ও অমর হয়ে থাকবে।

 

খুবি স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ:
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ স্মরণে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. অনির্বাণ মোস্তফা। পরিষদের শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইমরান কামালের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রথম পর্বে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭টি ডিসিপ্লিনের ৭জন নবীন শিক্ষক বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সাতটি মৌলিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস বৃষ্টি বঙ্গবন্ধুর ভাষণে তাঁর ত্রিকালদর্শী অভিব্যক্তি প্রসঙ্গে কথা বলেন। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষক নিশাত তারান্নুমের কথায় উঠে আসে এই ভাষণের অনন্য সংযোগসূত্রের দিকটি। রসায়নবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের শিক্ষক খায়েরুল আমিন এই ভাষণটিতে সঙ্গীত সুলভ অন্বয়ের দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করেন। তাঁর ভাষ্যে: সঙ্গীত যেমন নানা মুদ্রার মিশেলে সয়ম্ভু হয়ে ওঠে ৭ মার্চের ভাষণও তেমনি মানবিক মূল্যের সকল মুদ্রযোগেই সয়ম্ভু। ইংরেজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক আয়েশা আক্তার আশা এই ভাষণটিকে শক্তিশালী অনুভ‚তির স্বতঃস্ফ‚র্ত উৎসারণ বলে অভিহিত করেন। ভাস্কর্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক আমিনুল ইসলামের কথায় উঠে আসে বঙ্গবন্ধুর ভাষিক মুদ্রার শিল্পের দিকটি। তিনি বলেন বঙ্গবন্ধুর শরীরী মুদ্রাই প্রমাণ করে কতোটা গভীরভাবে তিনি সাত কোটি মানুষের উন্মুখতাকে ধারণ করেছিলেন। ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী এই ভাষণের অন্তঃস্থে নিহিত মানবিক মর্যাদা, সাম্য ও সামাজিক সুশাসনের দিকটির কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে উৎকলিত এই মহান তিনি দার্শনিক অভিজ্ঞানের সূত্র বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের ভাষণই। বাংলা ডিসিপ্লিনের শিক্ষক অন্তরা বিশ্বাস বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মাধ্যমে নির্দেশিত জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় ঐক্য, জাতীয়তাবোধ ও জাতীয়বাদী অভিযাত্রার দিকটির কথা উল্লেখ করেন। তাঁর কথায় স্পষ্ট হয়, এই ভাষণের রূপরেখাতেই বিনির্মিত রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ। সাতটি ডিসিপ্লিনের এই ৭জন শিক্ষক বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ৭টি প্রাতিস্বিক দিকের উৎকলন ও ব্যাখানের মাধ্যমে যে যুক্তি স্বচ্ছতা, মাত্রাজ্ঞান ও মনন এষণার পরিচয় দেন নিঃসন্দেহে তা অনন্য। এ পর্বের পর অনুষ্ঠিত হয় মুক্তালোচনা। এ পর্বে শিক্ষকগণ তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।

খুলনা জেলা তথ্য অফিস:
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে খুলনা জেলা তথ্য অফিস বুধবার সকালে খুলনা জিলা স্কুল মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণের ভিডিও প্রদর্শন এবং কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। খুলনা জিলা স্কুল এতে সহযোগিতা করে। এছাড়া দিনব্যাপী মাইকযোগে খুলনা মহানগর ও জেলা তথ্য অফিস প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার করে। সন্ধ্যায় শহিদ হাদিস পার্কে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ভিডিও এবং ওরা ১১জন চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে।#

ডুমুরিয়ায় আ’লীগ:
ডুমুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বুধবার বিকালে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদ্যাপন উপলক্ষে দলীয় কার্যালয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নুর উদ্দিন আল মাসুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্যদেন আ’লীগ নেতা এ্যাড রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, শাহনেওয়াজ হোসেন জোয়াদ্দার, জেলা পরিষদের সদস্য সরদার আবু সালেহ, জেলা পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য শোভা রানী হালদার, শেখ নাজিবুর রহমান, কাজী এমদাদুল হক, সরদার আব্দুল গনি, জেলা পরিষদের সদস্য অভিজিত চন্দ, কেএম হযরত আলী, গোপাল চন্দ্র দে, মোল্যা সোহেল রানা, প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষ, মেহেদী হাসান বিপ্লব, কাজী মেহেদী হাসান রাজা, শেখ ইকবাল হোসেন, আবুল বাশার খান, শেখ মাসুদ রানা, আলামীন গাজী, রাসেল সরদার প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আছফর হোসেন জোয়াদ্দার।#

আশাশুনির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭মার্চ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার সকালে বুধহাটা এবিসি কেজি স্কুলে দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় স্কুল পরিচালা কমিটি সভাপতি এড. শহিদুল ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ আলমিন হোসেন ছট্টু, পাপিয়া সরকার প্রমূখ। বুধহাটা এন এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ভিডিও প্রদর্শনীর মাধ্যমে ৭মার্চের ভাষণ প্রচার, ঐতিহাসিক ভাষণের উপর আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক হাবিবুর রহমান টুকু, আব্দুল ওয়াদুদ, জহির আলম প্রমূখ। নৈকাটি দাখিল মাদ্রাসায় দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় সুপার মোঃ ইমদাদুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, গনেশ চন্দ্র সরকার প্রমূখ। এছাড়া বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুল, বুধহাটা কওছারিয়া দাখিল মাদ্রাসা, কুঁন্দুড়িয়া পিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুঁন্দুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দরগাহপুর এস কে আর এইচ কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়।

 

তালা মহিলা কলেজ:
স্বাধীনতার মহান স্থপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিুর রহমানের রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’র স্বীকৃতি লাভ দিবস উপলক্ষ্যে তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বুধবার দুপুরে কলেজ হলরুমে দিবসটি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রহমান। উপাধাক্ষ্য মোঃ শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম, এসএম নাজিম উদ্দীন, নিলুফা বানু, নন্দী দিপাংকর, কনা বিশ্বাস, আমিনুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, শিক্ষার্থী মাহবুবা ফেরদৌস দোলা, সেতু মন্ডল প্রমুখ।#

 

ফকিরহাট শেখ হেলাল উদ্দীন ডিগ্রী কলেজ:
জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টার-এ অন্তভর্‚ক্তির মাধ্যমে বিশ্ব প্রামান্য ঐতিহ্য’র স্বীকৃতি লাভ করায় ৭ মার্চ সকাল ১০টায় শেখ হেলাল উদ্দীন ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যক্ষ বটু গোপাল দাশের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গৌরম্ভা ইউপি চেয়ারম্যান ও কলেজ গভর্ণিং বডির সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দীন গাজী, গভর্ণিং বডির সদস্য স. ম আব্দুর রব, বিমল কৃষ্ণ কুন্ডু, সহকারী অধ্যাপক মৃত্যুঞ্জয় কুমার দাস, দীন মহম্মদ মোল্লা, সিরাজুল ইসলাম, উৎপল কুমার দাস, শেখ শামীম ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন সহকারী অধ্যাপক মো: হোসাইন ছায়েদীন। এসময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষক অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

খানজাহান আলী থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ :
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন আন্তর্জাতিক ভাষন হিসাবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করায় খানজাহান আলী থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে বুধবার বিকাল ৪টায় ফুলবাড়ীগেটস্থ সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে থানা কমান্ডার বীর মক্তিযোদ্ধা স.ম রেজওয়ান আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষনে বাঙ্গালী জাতি উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁর নেত্রত্বে যেমনি দেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে তেমনি তারই সুজোগ্য কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাধীন দেশ এখন শস্য ভান্ডারে উন্নত দেশে পরিনত হতে চলেছে। শেখ হাসিনার ঘোষিত ভিষন সফল করতে আগামী জাতিয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কাায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের অর্গযাত্রাকে অব্যাহত রাখার আহবান জানান। একই সাথে নেতৃবৃন্দ জাতির জনকের ভাষণকে আন্তজাতিক ভাষনের স্বীকৃতি প্রদান করায় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে জাতি সংঘ ও ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানান। সভায় বক্তৃতা করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মোঃ শাহজাহান শিকদার, মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোঃ আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা স.ম বাবর আলী, মুক্তিযোদ্ধা মোল্যা মুজিবর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ গনি, মুক্তিযোদ্ধা শেখ আলেক, মুক্তিযোদ্ধা কাগজী আজগর আলী, মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন দেলোয়ার, মোঃ সাইদুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আসাফ কারী, মুক্তিযোদ্ধা আঃ আওয়াল প্রমুখ। এ সময় থানা মুক্তিযোদ্ধা সহ আওয়ামী মুক্তিলীগের খুলনা মহানগর শাখার সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।

ফুলবাড়ীগেট সাতক্ষিরা বেকারী:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি পাওয়ায় এবং ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ফুলবাড়ীগেটস্থ সাতক্ষিরা বেকারীর উদ্যোগে দোয়া মাহফিল বুধবার আছর বাদ কারখানায় অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে সাতক্ষিরা বেকারীর সত্ত¡াধীকারী মোঃ সাহাবুদ্দিন আলম, খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটের সভাপতি শেখ বদর উদ্দিন, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, আব্দুল মাজেদ, ইমদাদুল ইসলাম, মনির হোসেন, নুর ইসলাম প্রমুখ। দোয়া পরিচালান করেন, ফুলবাড়ীগেট জামিয়া কারিমিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মুফতি হুমায়ুন কবির।

মহানগর মুক্তিযোদ্ধালীগ:
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে মহানগর মুক্তিযোদ্ধালীগের উদ্যোগে বুধবার সন্ধায় ফুলবাড়ীগেটস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে মহানগর মক্তিযোদ্ধালীগৈর সভাপতি ডাঃ মোঃ শাহজাহান সিকদারের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু নাইমের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোঃ আজাদ, থানা মুক্তিযোদ্ধা থানা কমান্ডার স.ম রেজওয়ান আলী, মুক্তিযোদ্ধা মোল্যা মুজিবর রহমান, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ কবির হোসেন, মোঃ বেলাল হোসেন, মোঃ শহিন হোসেন, মোঃ মফিজুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় মহানগর এবং থানা মুক্তিযোদ্ধালীগের শাখার সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।#