ফিরতে পারবে বাংলাদেশ?

0
313

খেলা ডেস্ক, খুলনা টাইমস:

আজ শ্রীলঙ্কাও তাদের নিয়ে আর ভাবেনা। স্বাভাবিক। শ্রীলঙ্কা যে ক্রিকেট খেলে,বাংলাদেশ তার চেয়ে বহু দূরে। অনেক পাওয়ার ক্রিকেট খেলে লঙ্কানরা। ভারত বরং এখন শ্রীলঙ্কাকে নিয়েই ব্যস্ত। ভারতের বিপক্ষে নিদাহাস ট্রফিতেও পুরানো পারফরমেন্স তামিমদের। বেশী বেশী ডট বল খেলা। যখন পাওয়ার ব্যাটিং প্রয়োজন, তখন উইকেট থ্রো করে আসা। এভাবে অন্তত এ ফরম্যাটে খেললে হয়না।
মাহমুদুল্লাহ নিজেও বলেছেন- ওয়ানডে ক্রিকেটে সময় পাওয়া যায় পুষিয়ে দেয়ার। কিন্তু এটা এমন একটা ফরম্যাট। একটু পিছিয়ে পড়লে সেটা কাভার করা যায়না, যদি প্রতিপক্ষ ভুল না করে। প্রথম ম্যাচ শেষে আফসোসের আর অন্ত নেই। কি করলে কী হবে,সেটা বুঝে না। কখনও ব্যাটসম্যানদের দোষ। কখনও বা বোলারদের। আসলে ভারতের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে ছিল চরম ব্যার্থতা। বল যেন হিটই করতে পারছিলনা। ভারতীয়রা যে কঠিন বল করছে তাও না। একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বোলিংটা করেছিল, যার বিপরীতে রান যেন না নিতে পারে। ওটা ক’য়েক ওভার করার পরই ক্রিজ ছেড়ে বেড়িয়ে এসে মারার জন্য মরিয়া হয়ে যায়। উইকেটও তখন তুলে নিয়েছে ভারতীয় বোলাররা। আসলে প্লান ক্রিকেট খেললে এমনই হয়। যেটা পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা।
তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মুশফিকুকর, লিটন দাস, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদরা কী করেছেন, সেটা ব্যাখ্যা তারাও দিতে পারবেন বলে মনে হয়না। আসলে এ ফরম্যাটে তারা এভাবে খেলছেন। ক’দিন আগে জাতীয় দলের সাবেক কোচ সারওয়ার ইমরান নয়া দিগন্তকে বলেছিলেন, বাংলাদেশের দুর্বলতার কথাগুলো। বাস্তবেও তাই। পাওয়ার ব্যাটিং সবাইকে দিয়ে হয়না। ওয়ানডের পাওয়ার ব্যাটিং এক রকম। টি-২০ এর পাওয়ার ব্যাটিং আরেক রকম। কুশল মেন্ডিস,তিসারা পেরেরা কী ব্যাটিং করেন। অমনটা প্রয়োজন। ভারতীয় ব্যাটিং লাইনে রয়েছেন সুরেশ রায়না। দুর্দান্ত খেলেন। এরপরও তাকে সমালোচনায় পরতে হয় টি-২০ তে সেভাবে ব্যাটিংটা করতে না পরার জন্য। বাংলাদেশের অমন ব্যাটিংটা কে পারেন? সৌম্যের পক্ষে যে সম্ভব। কিন্তু এক ম্যাচে খেলেন তো তিনি অন্য ম্যাচে আর খুজেও পাওয়া যায়না। এমন ব্যাটসম্যানদের নির্বাচকরা খুজে পাবে কবে?