ফসলি জমিতে চিংড়ি চাষ থেকে বিরত থাকতে হবে : মৎস্যমন্ত্রী

0
508

তথ্যবিবরণী:
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, ফসলি জমিতে চিংড়ি চাষ থেকে বিরত থাকতে হবে। একটি জোন নির্ধারণ করে চিংড়ি চাষ করা যেতে পারে। যেখানে ফসল হয়না সেখানে চিংড়ি চাষ করতে হবে এবং বিভিন্ন চরেও এর চাষ করা যেতে পারে।

তিনি রবিবার  রাত ১০টায় খুলনা শ্রিম্প টাওয়ার মিলনায়তনে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টাস এ্যাসোসিয়েশন (বিএফএফইএ) আয়োজিত সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এ বছর ইলিশ মাছ উৎপাদন হয়েছে প্রায় ছয় লাখ মেট্রিক টন। যা গত বছরের চেয়ে প্রায় দুই লাখ মেট্রিক টন বেশি। দেশের মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে সরকার ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে চিংড়িসহ সকল মাছের উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে মাছ চাষ করলে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোন হ্যাচারিতে উৎপাদন করা যেতে পারে। দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছগুলো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। এ অঞ্চলের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি রয়েছে। অচিরেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল একটি অর্থনৈতিক জোনে পরিণত হবে। এমাসের মধ্যে দেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকলে অনেক আগেই দেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতো।

বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশন (বিএফএফইএ) খুলনা অঞ্চলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট সেখ আব্দুল বাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন পুলিশ কমিশনার মোঃ হুমায়ুন কবির, জেলা প্রশাসক মোঃ আমিন উল আহসান, মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ এর উপপরিচালক প্রফুল্ল কুমার সরকার, প্রেসক্লাবের সভাপতি ফারুক আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক মল্লিক সুধাংশু। স্বাগত বক্তৃতা করেন বিএফএফইএ’র সিনিয়ন ভাইস-প্রেসিডেন্ট কাজী বেলায়েত হোসেন। এসময় বিভিন্ন মৎস্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক, নির্বাহী পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও বিএফএফইএ’র বর্তমান ও সাবেক পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রীকে ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন।#