ফলোআপঃ খুলনা টাইমস পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জের ভন্ড কবিরাজ আঞ্জুয়ারার বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ

0
506

মইনুল ইসলাম, আশাশুনি থেকে:
আশাশুনি উপজেলার ভন্ড কবিরাজ আঞ্জুয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় খুলনা টাইমস পত্রিকায় “আশাশুনির বড়দলে ভূয়া কবিরাজের প্রতারণার সর্বশান্ত এক দিনমজুর অসহায় পরিবার” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় ভন্ড কবিরাজ আঞ্জুয়ারা বেগম নিজেকে আইনের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারি ও বে-সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বলে জানাগেছে। ঘটনা ধামা চাপা দিতে ভন্ড কবিরাজ ও স্বামী কর্তৃক ভূক্তভোগী পরিবারের প্রতি ভয়ভীতি দিয়ে এঘটনা আর সামনে এগিয়ে না নিতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে গন্যমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে। ভন্ড কবিরাজের হাতে প্রতারিত হওয়া বড়দল ইউনিয়নের মধ্যম বড়দল এলাকার কারিকর পাড়ার ভাটা শ্রমিক শাহীনুর রহমানের স্ত্রী সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে মঙ্গলবার সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মটরসাইকেল চালক শফিকুল ইসলাম সরদারের স্ত্রী আঞ্জুয়ারা বেগম নিজেকে কবিরাজের পরিচয় দিয়ে শাহীনুর রহমানের বাড়ীতে তার মাকে ঝাঁড়ফুক করতে যান। কিছুদিন যাবৎ ঝাঁকফুক কোন একদিন কবিরাজ আঞ্জুয়ারা বেগম সুফিয়া খাতুনের স্বামী ও তার মা কুলসুম বিবিকে বলেন আপনাদের বাড়ীর টিউবওয়েলের সন্নিকটে মাটির নিচে সাড়ে ১৯ কেজি স্বর্ণ আছে। আপনারা যদি চান আমি তুলে দিতে পারি। কবিরাজ আরও জানান, এ স্বর্ণগুলো পেতে হলে সাতক্ষীরা লাশকাটা ঘরের পাশে শ্মশানের দেবের থানে দেড়লাখ টাকা দিতে হবে। গ্রামের সহজ সরল ভাটা শ্রমিক কাউকে কিছু না জানিয়ে দুষ্ট কবিরাজের মিষ্টি কথায় রাজি হয়ে তাদের সহায় সম্ভল বিক্রি, বন্ধক রেখে ও চড়া সুধে মোট দেড়লাখ টাকা কবিরাজের সাথে গিয়ে সাতক্ষীরায় দেবের থানে রেখে আসেন। এঘটনার পর থেকে ভন্ড কবিরাজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে বলে অভিযোগে প্রকাশ। ভন্ড কবিরাজের কথায় বিভিন্ন স্থান থেকে নেয়া ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পারলে হয়তো আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন পথ থাকবে না ভেবে, ভুয়া কবিরাজ আঞ্জুয়ারা বেগম ও তার সহযোগীদের অতিদ্রুত গ্রেফতার পূবর্ক আইনের আওতায় নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।