প্রতি সেকেন্ডে পরিবর্তন হচ্ছে ব্রিটেনের রাজনীতি

0
378

খুলনাটাইমস বিদেশ : ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে বেধে দেয়া সময়সীমা যতই ঘনিয়ে আসছে ততই জটিল হচ্ছে ব্রিটেনের রাজনীতির হিসেব নিকেশ। দেশটির রাজনীতিতে এখন চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে বলে মনে করছেন বিরোধীদল লেবার পার্টির নেতারা।ব্রেক্সিট প্রশ্নে ভোটাভুটিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন হেরে যাওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার তারিখ আরও পিছিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার মূল চাবিকাঠি ব্রিটিশ এমপিদের হাতে।এ অবস্থায় ব্রিটিশ রাজনীতিতে উত্তেজনার পাশাপাশি অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত লেবার দলের এ সদস্য।লেবার দলীয় সদস্য ব্যারিস্টার আবুল কালাম চৌধুরী বলেন, পুরো বিষয়টি ব্রেক্সিটকে অনিশ্চিতার মধ্যে ফেলছে না বরং গোটা ব্রিটিশ রাজনীতি একটা মারাত্মক সঙ্কটের মধ্যে আছে এবং কেউ বলতে পারবে না আসলে কি হতে যাচ্ছে। আসলে প্রতিটি, মিনিটে প্রতিটি সেকেন্ডে এখানকার রাজনীতি পরিবর্তন হচ্ছে। গত মঙ্গলবারের হারের পর বরিস জনসনের জন্য চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের পথ আটকে গেলো। বিকল্প পথ হিসেবে খোলা আছে ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়ানো কিংবা আগাম নির্বাচন।রাজনীতি বিশ্লেষক ব্যারিস্টার মনিরুল ইসলাম বলেন, বরিস জনসন বলেছিলেন নো বাট নো ইট, ব্রেক্সিট অর্থ ব্রেক্সিট। আজকে পার্লামেন্ট বলল ব্রেক্সিট করতে হলে পার্লামেন্টে আলোচনা করে সেটা অনুমোদন করে নিতে হবে। আর অনুমোদন নিতে হলে এমন জনবল বরিস জনসনের পার্লামেন্টে নেই। তার জন্য একটিই রাস্তা সেটি মধ্যবর্তী নির্বাচন।বরিস জনসন আগাম নির্বাচনের আভাস দিলেও এই মুহূর্তে নির্বাচনের মুখোমুখি হতে চান না বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিন।লেবার দলে অন্তর্কোন্দলের কারণে জেরেমি করবিন ভিন্ন কৌশলে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আইনজীবী বিপ্লব পোদ্দার জানান, লেবার চাচ্ছে যে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বা কনজারভেটিভকে আরো বেশি সিদ্ধান্তের দিক থেকে যদি জনবিচ্ছিন্ন করে নেয়া যায় এবং হাতে সময় পেয়ে যদি করমনি তার দলকে ঢেলে সাজাতে পারেন এবং আয়ত্তে¡ নিতে পারেন তখন নির্বাচনে গেলে হয়ত লেবার পার্টির লাভটা বেশি হবে। যে কারণে এ মুর্হূতে মধ্যনির্বাচন একেবারেই চাচ্ছেন না। এমন অনিশ্চয়তার মধ্যে ব্রাসেলসে ইইউ সম্মেলনের আগেই অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ব্রিটেনে আগাম নির্বাচন অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে গণমাধ্যম।