প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে খুলনায় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি

0
485

নিজস্ব প্রতিবেদক : পূজা-অর্চনা, অঞ্জলী, দর্পন বিসর্জন আর সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে খুলনায় সমাপ্তি হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাঁচদিনব্যাপী প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের। শুক্রবার বিকেল থেকে ফুলতলার ভৈরব নদ, নগরীর জেলখানা ঘাট, চরেরহাট, দৌলতপুর ও রেলিগেট ঘাটে বিসর্জন অনুষ্ঠিত হয়।
ফুলতলা, দামোদর ও জামিরা ইউনিয়নের সকল মন্দিরের প্রতিমা বিকেলে ফুলতলার সিকিরহাট ঘাটে বিসর্জন করা হয়। সন্ধ্যায় জেলখানা ঘাট, চরেরহাট, দৌলতপুর ও রেলীগেটে মহানগরীর বিভিন্ন মন্ডপের প্রতিমা বিসর্জ্জন করা হয়। বিসর্জনের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি পূজা কমিটির নিজস্ব ভলান্টিয়াররাও দায়িত্ব পালন করেছেন।
দেবী বিসর্জনে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, মহানগরীর দোলখোলা, শীতলাবাড়ী, শান্তিধামের মোড়ের, টুটপাড়া গাছতলা, ঊমা শিবমন্দির, কয়লাঘাট, রূপসা মহাশ্মশান কালি, বাগমারা, তালতলা, শিববাড়ী, ছোট বয়রা মন্ডপে।
বিসর্জনের আগে নারীরা দেবী দুর্গার সিঁথিতে সিঁদুর পরান এবং মিষ্টি মুখ করান। পরে মন্দিরে আগত নারীরা একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর বিনিময় করেন। এরপর বিভিন্ন পূজা মন্ডপ থেকে ট্রাক যোগে দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রা শুরু হয়। এ শোভাযাত্রা গুলোয় যোগ দেন মন্দিরগুলোর পুণ্যার্থীরা। শোভাযাত্রাগুলো ভৈরব নদের ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়।
পূজা উৎযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, জেলা ও মহানগরীতে এবার ৯৭৩টি মন্ডপে শারদীয়া দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মধ্যে মহানগরীতে ১২৩টি মন্ডপ রয়েছে। খুলনা সদর থানায় ২৩টি, সোনাডাঙ্গা থানায় ১২টি, খালিশপুরে ১০টি, দৌলতপুর থানায় ২১টি, খানজাহান আলী থানায় ১০টি, হরিণটানায় ৫টি, লবণচরায় ৯টি ও আড়ংঘাটা থানায় ৩৩টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। এবং জেলার ৯ উপজেলায় ৮৫০টি পূজামন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ বলেন, প্রতিটি থানায় নির্ধারিত প্রতিমা বিসর্জনের স্থান রয়েছে। সেখানে রাত ৮টার মধ্যে দুর্গা পূজার প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশনা রয়েছে। ঘাট সমূহে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিলো।