পূর্বকলহের জের ধরেই নারী কনস্টেবল ও এএসআই হাসানকে ফাঁসানোর চেষ্টা

0
839
এস দেওয়ান
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় কর্মরত মহিলা পুলিশ কনস্টেবল রাজিয়া সুলতানার স্বামী খুলনা ওয়াসার কর্মচারী মোঃ রবিউল ইসলামের সাথে  দাম্পত্য জীবনের পুর্বের কলহের জের ধরেই এএসআই হাসানকে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ গুরুত্বের সাথেই তদন্ত করছে পুলিশ।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ১ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে রবিউল ওয়াসার পানির পাম্পের ডিউটিতে যাওয়ার পুর্বে সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধিন বৌ-বাজার সংলগ্ন এলাকায় ১৫৫/৫ নম্বর হোল্ডিংয়ের সৈয়দ মঞ্জিলের নিচ তলায় ভাড়া বাসার বাহিরের থেকে দরজায় তালা বদ্ধ করে যান। শিশু সন্তানকে নিয়ে তালাবদ্ধ ঘরে স্ত্রী রাজিয়া বহু ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ পায়নি। পরে তিনি থানায় সহকর্মিদের কয়েকজনকে ফোন করেন। এরমধ্যে একই থানার এএস আই মোঃ মাহামুদুল হাসান ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি এসে দেখেন ঘরের বাহিরের থেকে তালা বদ্ধ রয়েছে। এরপর রাজিয়া সুলতানা জানালা দিয়ে তার কাছে রক্ষিত ঘরের তালার অপর একটি চাবি হাসানকে দেয়। হাসান দরজার তালা খুলে দেয়ার পরপরই রাজিয়ার স্বামী ঘটনাস্থলে এসেই আশপাশের লোকজনকে ডাকাডাকি করে একটি কল্প কাহিনী সাজিয়েছেন।এঘটনায় নারী পুলিশ কনস্টেবল রাজিয়ার স্বামী মোঃ রবিউল ইসলামের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বুধবার  নারী কনস্টেবল ও এএসআইকে সোনাডাঙ্গা থানা থেকে বদলী করা হয়েছে।
কেএমপি পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান,  রাজিয়া ও তার স্বামীর সাথে পারিবারিক কলহ ছিলো। তাদের দু’জনের মধ্যে একবছর আগে থেকেই মামলা মোকদ্দমা চলেছে।  তাদের পরিবারের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে আবারও তারা মিট মিমাংসা হয়ে সংসার করছিলেন।