পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জয়ী; বিএনপির ভরাডুবি

0
215

পাইকগাছা প্রতিনিধি:
শান্তিপুর্ণ পরিবেশে ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে খুলনার পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু বিশাল ব্যাবধানে বিজয়ী হয়েছেন। অপরদিকে তার নিকটতম একমাত্র প্রতিদ্বন্ধী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ এর চরম ভরাডুবি হয়েছে। এদিকে নির্বাচনে চরম ভরাডুবি আঁচ করতে পেরে বেলা ৪ টা ৪৫ মিনিটের দিকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডাঃ আব্দুল মজিদ সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখানের ঘোষনা দেন।
সংশ্লিষ্ঠ সুত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই জেলার পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ আলী করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু বরন করলে চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য ঘোষনা করে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তপশিল ঘোষনা করে। সেই অনুয়ায়ী মঙ্গলবার চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধীতা করেন। একজন হলেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু ও অপরজন হলেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ। সকাল ৯ টায় ভোট গ্রহন শুরু হলে প্রথমের দিকে কিছু ভোটারকে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হতে দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে কেন্দ্রগুলি ফাঁকা হয়ে যায়। আবার বেলা ৪ টার দিকে কেন্দ্রগুলিতে ভোটার উপস্থিত ছিল চোখে পড়ার মত। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করেও গড়ইখালীর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটরদের উপস্থিত ছিল সন্তোষজনক। এদিকে দলীয় সুত্রে জানা গেছে, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমএনএ শহীদ এম এ গফুর এর জেষ্ঠ্য সন্তান আনোয়ার ইকবাল মন্টু পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৫ ভোট ও তার নিকটতম একমাত্র প্রতিদ্বন্ধী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ মোঃ আব্দুল মজিদ পেয়েছেন ২ হাজার ৯ শত ৫২। নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৭৯ টি এবং বুথ সংখ্যা ছিল ৫ শত ৭২ টি। মোট ভোটার ২ লক্ষ ১৯ হাজার ৭’শ ১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ১০ হাজার ৫’শ ৬৪ ও মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৯ হাজার ৫’শ ৫২ জন।