পাইকগাছায় চেক ও স্ট্যাম্প না দিয়ে মামলায় জড়ানোর হুমকি, অভিযোগ

0
264

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:
পাইকগাছায় দুই ইট ভাটা সর্দারের মধ্যে ভাটার টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে মৌসুম শেষে চেক স্ট্যাম্প আটকে রেখে উল্টো মামলায় জড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ হয়েছে। ভাটা সর্দার রফিকুল খান ও আজিজ মোড়ল একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাঁকা গ্রামে। বাঁকার মৃত সফর আলী খানের ছেলে ইটভাটা সর্দার রফিকুল ইসলাম খান জানান, গত ভাটা মৌসুমে পার্শ্ববর্তী গ্রাম রাড়–লী দক্ষিণপাড়া শের আলী মোড়লের ছেলে অপর ইট ভাটা সর্দার আজিজ মোড়লের মাধ্যমে সাদা চেক ও স্ট্যাম্প জমা রেখে সাড়ে ৩ লাখ দাদনের টাকা নিয়ে যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়া’র ইউপি ইয়াকুব আলীর সুফিয়া ব্রিক্সে পরিবার পরিজন নিয়ে কাজ করতে যায়। কিন্তু এখানে শর্ত অনুযায়ী মালিকপক্ষ আমাদের ভরণপোষণ ঠিকমত করেনি। তারপরেও মৌসুমের পরে সমুদয় টাকা পরিশোধ করে এমনকি আমাদের সম্পদাদি ভাটায় রেখে চলে আসি। রফিকুল অভিযোগ করেন, টাকা পরিশোধের পরেও ইট ভাটা সর্দার আজিজ মোড়ল সাড়ে ৩ লাখ টাকা পাওনা কথা বলে মামলায় জড়ানোর জন্য উকিল নোটিশ পাঠিয়ে আমার পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে। এঘটনায় তিনি আজিজ মোড়লের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ করলে বৃহস্পতিবারে থানায় উভয়পক্ষকে নিয়ে বসাবসি হয়েছে। এ বিষয়ে ওসি (তদন্ত) রহমত আলী জানান, দুই ভাটা সর্দার টাকা লেনদেন নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। নিস্পত্তির জন্য ভাটা মালিকের মধ্যস্থতায় বসাবসির জন্য একটি দিন ঠিক হয়েছে। এ ঘটনায় ভাটা সর্দার আজিজ মোড়ল পাল্টা অভিযোগ তুলে বলেন, আমি মুলত ভাটা মালিক ইয়াকুব মেম্বরের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে ৯ লাখ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে রফিকুল খান এবং শাহিনকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা করে দিয়েছি। কিন্তু এরা মৌসুম শেষ না করে ভাটা থেকে চলে আসে। এক সময় ভাটা মালিক আমাকে আটক করে। রফিকুল সমুদয় টাকা পরিশোধ না করে আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেছেন বলে তিনি দাবী করেন।