পাইকগাছায় অধ্যক্ষ’র সরকারী বেতন বন্ধ করেছে মন্ত্রণালয়

0
176

কপিলমুনি প্রতিনিধি:
পাইকগাছা ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে দূর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আতœসাতের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত সেপ্টেম্বরসহ চলতি অক্টোবরের বেতন-ভাতর সরকারি অংশ বন্ধ করেছে মন্ত্রণালয়।
সূত্র জানায়, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের সর্বমোট ১৫টি অভিযোগ হয়। এরমধ্যে তদন্তে ৫টির সত্যতা পায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। তার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ মার্চ অধ্যক্ষ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আদেশ জারি হয়। ঐ আদেশে অধ্যক্ষ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলেজের পরিচালনা পরিষদকে নির্দেশনা প্রদান করে মন্ত্রণালয়।
বিভিন্ন গনমাধ্যমে এনিয়ে তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর গত ২৭ আগষ্ট ২০২০’ ৩৭.০০.০০০০.০৭০.৭৭.০০১.১৮.৪৭ নং স্মারক মোতাবেক তদন্ত কর্মকর্তার মতামতের প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, বেসরকারি কলেজ-৬ শাখা, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা এর পূর্বের ১ মার্চ ২০২০ তারিখের স্মারক নম্বর মোতাবেক ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রবিউল ইসলাম এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পাওয়ায় উপ-পরিচালক সাধারণ প্রশাসন শাখা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করে অধ্যক্ষের এমপিও ংঃড়ঢ় চধুসবহঃ করা হয়। তার প্রেক্ষিতে গত সেপ্টেম্বর ও চলতি অক্টোবরের বেতনভাতা বন্ধ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৮ জানুয়ারি ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ করেন কলেজটির সহকারী অধ্যাপক ও শিক্ষক-প্রতিনিধি শেখ রুহুল কুদ্দুস ও সহকারী অধ্যাপক সুধাংশু কুমার মন্ডল। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মাউশি খুলনা অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক শেখ হারুনর রশিদ এবং উপ-পরিচালক (কলেজ) এস কে মোস্থাফিজুর রহমান অভিযোগের তদন্ত করেন। তদন্তে ১৫টি অভিযোগের মধ্যে ৫টি অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধ্যক্ষ রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আদেশ জারি করে।