পাইকগাছায় অজ্ঞাত রোগে মারা যাচ্ছে সড়কের বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ

0
545

শেখ নাদীর শাহ্,কপিলমুনি::
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার শিববাটি ব্রীজ হতে কাটাখালী বাজার পর্যন্ত প্রধান সড়কের বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ অজ্ঞাত রোগে মরে সাবাড় হয়ে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ চিহ্নিত বা প্রতিরোধে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারেনি বনবিভাগ।
জানাগেছে, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৮/১০ বছর আগে সড়কটিতে পাহাড়ী শিরিষ, নিম, বাবলা ও সম্প্রতি কিছু নারিকেলের চারা লাগানো হয়। এরপর গত প্রায় ৫/৬ বছর আগে থেকে পাহাড়ী শিশু, শিরিষ গাছগুলো একে একে মারা যাচ্ছে। প্রকাশ্য দিবালোকে গাছ গুলির মৃত্যু হলেও তা তদারকি বা প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান,কয়েক বছর আগে রাস্তার পাশে চাঁদখালী ইউনিয়নের জনৈক নজরুল ইসলাম সরদার একটি ইটের ভাটা স্থাপন করেন। ভাটা তৈরির পর থেকে এসকল গাছগুলোর মৃত্যু শুরু হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ইট ভাটার ক্রমাগত নির্গত বিশাক্ত ধোঁয়ায় গাছগুলি মারা যেতে পারে।
শিববাটি ব্রীজ থেকে কাটাখালী পর্যন্ত প্রায় ৫/৭ কিলোমিটার রাস্তার দু’ধারে এ সব গাছ লাগানো হয়। নারিকেলের চারাগুলো প্রায় সবই মারা গেছে। নিম গাছগুলো টিকে থাকলেও শিশু ও শিরিষ গাছগুলো একে একে সবই মারা যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বনবিভাগের কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায় জানান, এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর পূর্বে এ গাছগুলো রোপন করে। কি কারণে গাছগুলো মারা যাচ্ছে তা খতিয়ে দেখার জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত তার কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়না জানান, বনবিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে লবণাক্ততার কারণে গাছ গুলি মারা যেতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।