পরিষদের অভ্যন্তরে চলছে ভেঁড়া-ছাগল বিক্রি : চেয়ারম্যানের নির্দেশ উপেক্ষিত

0
521

এস রফিক, ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি:
ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বর এখন ভেঁড়া-ছাগলের হাটে পরিণত হয়েছে। দূর্গন্ধ ও নোংরায় পরিবেশ হচ্ছে দূষিত, ভোগান্তির শেষ নাই জনগণের। চেয়ারম্যানের নিষেধ আমলে নিচ্ছেন না হাট ইজারা কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানায়ায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খর্ণিয়া ইউনিয়ন পরিষদ খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক সংলগ্ন খর্নিয়া বাজারেই অবস্থিত। পরিষদটির সুন্দর ভৌত অবকাঠামো থাকলেও সিমানা প্রাচীর না থাকায় রয়েছে অরক্ষিত। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরিষদ চত্ত্বরের সামনে বিরাট ভেঁড়া-ছাগলের হাট। দুপুরের মধ্যেই হাটে জমজমাট কেনা-বেচা, পা ফেলানোর জায়গা নেই। অসংখ্য ভেঁড়া-ছাগলের প্র¯্রাব,পায়খানার দুর্গন্ধে নাকে রুমাল দিয়ে যেতে হয় চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করতে। শুধু তাই নয় হাটবার ছাড়া অন্যদিনে ওই চত্ত্বরে রাখা হয় সারি সারি ট্রলি ও নছিমন গাড়ী। দেখলে মনে হয় এটা একটা ট্রলি ষ্ট্যান্ড। কথা হয় নাতনি সামিয়া আক্তার সোহাগীর জন্ম নিবন্ধন নিতে আসা বামুন্দিয়া গ্রামের বশির সরদারের সাথে। তিনি বলেন, ছাগলের প্র¯্রাবের গন্ধে নাক মুখ বন্ধ করে চেয়ারম্যান সাহেবের রুমে আসতে হয়েছে। কোন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এমন নোংরা পরিবেশ নেই। এ রকম অভিযোগ ইউপি সদস্য শেখ নিছার আলী, এমএ হান্নান, গ্রামপুলিশ তাপস মল্লিকসহ অনেকের। সরকার প্রতিবছর এ হাট ইজারা দিয়ে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করলেও এ বিষয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই। খর্ণিয়া হাট ইজারাদার আলহাজ্ব শেখ হেফজুর রহমান বলেন, হাট-বাজারে জায়গা সংকটের কারণে আমরা কিছুদিন কাউন্সিল চত্ত্বর ব্যবহার করছি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল হোসেন দিদার বলেন, পরিষদের ভিতরে ভেঁড়া-ছাগলের হাট বসানোর কোন বিধান নেই। হাট কমিটি আমাকে ৩/৪টি হাট বসানোর কথা বলে নিয়েছে। কিন্তু সেটা পার হয়ে গেলেও আমার নিষেধ তারা মানছে না। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, কোন সরকারী প্রতিষ্ঠানের ভিতর হাট বসানোর নিয়ম নাই। এটি সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভুত ও অনিয়ম। এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।