নিজাম হাজারীর এমপি পদ বৈধ

0
481

অনলাইন ডেস্ক : ফেনী-২ আসনের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীর পদে থাকার বৈধতা নিয়ে করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একক বেঞ্চ এই রায় দেন। এর ফলে নিজাম হাজারীর পদে থাকা বৈধতা পেল বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

২৭ ফেব্রুয়ারি ফেনী-২ আসনের এমপি (এমপি) নিজাম উদ্দিন হাজারীর পদে থাকার বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদনের ওপর গত মঙ্গলবার হাইকোর্টের একক বেঞ্চে উভয় পক্ষের শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে রায়ের জন্য ১ মার্চ তারিখ রাখেন হাইকোর্ট। নিজাম হাজারীর এমপি পদে থাকার বৈধতা নিয়ে করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ বিভক্ত রায় দেন। এরপর বিষয়টি শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের একক বেঞ্চে আসে।

হাইকোর্টের একক বেঞ্চে রিট আবেদনকারীপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী কামাংল হক সিদ্দিকী, সত্য রঞ্জন মনমবল ও রাশিদা চৌধুরী। নিজাম হাজারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শফিক আহমেদ, নুরুল ইসলাম ও মাহফুজ উল আলম।

গত ৩০ জানুয়ারি রিট আবেদনকারীর আইনজীবী সত্য রঞ্জন মন্ডল জানিয়েছেন, বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে নিজাম হাজারীর আইনজীবী শুনানি করেছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে বিচারপতি বিব্রতবোধ করেন। এরপর রিটের নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর পর তিনি বিচারপতি মো.আবু জাফর সিদ্দিকীর বেঞ্চে মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য পাঠিয়েছেন বলে জানান সত্য রঞ্জন মন্ডল। গত ১৫ জানুয়ারি বিচারপতি ফরিদ আহমেদের হাইকোর্টের একক বেঞ্চ এ মামলার শুনানিতে বিব্রতবোধ করেন।

২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর নিজাম হাজারীর পদে থাকার বৈধতা নিয়ে জারি করা রুলের বিভক্ত রায় দেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. এমদাদুল হক তার রায়ে রুল মঞ্জুর করে নিজাম হাজারীর পদে থাকাকে অবৈধ ঘোষণা করেন। আর কনিষ্ঠ বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান এ বিষয়ে করা রিট ও রুল খারিজ করে দেন। অর্থাৎ তার রায়ে নিজাম হাজারীর এমপি পদ বৈধ।

এরপর আইন অনুসারে রিট আবেদনটি প্রধান বিচারপতির কাছে গেলে তিনি একক বেঞ্চের কাছে পাঠান। পরবর্তীতে কয়েকটি একক বেঞ্চ বিব্রতবোধ করেন। ২০১৪ সালের ১০ মে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।